বিশ্বকাপ খেলতে পারবে তো ইতালি? প্লে-অফেই ভাগ্য নির্ধারণ

অনলাইন ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশ ইতালি যেন নিজেদের হারানো গৌরব খুঁজছে। টানা দুই বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারা দলটি এবারও অনিশ্চয়তায়। আসন্ন বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলতে হলে প্লে-অফের কঠিন পরীক্ষা পাড়ি দিতে হবে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

বৃহস্পতিবার বারগামোতে প্লে-অফ সেমিফাইনালে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ইতালি। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ মিস না করতে মরিয়া আজ্জুরিরা।

নতুন কোচ জেনারো গাত্তুসোর অধীনে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরেছে ইতালির খেলায়। গ্রুপ ‘আই’-এ দ্বিতীয় স্থান অর্জন করলেও নরওয়ের কাছে বড় পরাজয় দলটির দুর্বলতা স্পষ্ট করে দিয়েছে। ২০০৬ সালে শেষবার বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে ইতালি আর নকআউট পর্বে উঠতে পারেনি ২০১০ ও ২০১৪ সালে গ্রুপ থেকেই বিদায়, আর ২০১৮ ও ২০২২ আসরে যোগ্যতাই অর্জন করতে ব্যর্থ হয়।

গত দুই আসরেই প্লে-অফে হেরে বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙেছে ইতালির। এবারও একই পরিস্থিতি হলে তা হবে দেশের ফুটবলের জন্য বড় ধাক্কা। অন্যদিকে ফ্রান্স ও স্পেনের মতো দলগুলো এগিয়ে গেলেও ইতালি পিছিয়ে পড়েছে আত্মবিশ্বাসে।

প্লে-অফের আগে গাত্তুসো বলেন, “আমরা লক্ষ্য অর্জনে আশাবাদী। তবে খেলোয়াড়দের ওপর অতিরিক্ত চাপ দিতে চাই না। তারা জানে কী ঝুঁকি রয়েছে, তাই আমাদের ইতিবাচক থাকতে হবে।”

তবে ইনজুরি সমস্যাও ভাবাচ্ছে ইতালিকে। সান্দ্রো টোনালির খেলা এখনো অনিশ্চিত। এছাড়া ফেডেরিকো চিয়েসা দলে নেই। বদলি হিসেবে নেওয়া হয়েছে নিকোলো কাম্বিয়াগিকে। চোট কাটিয়ে ফেরার চেষ্টা করছেন স্কামাক্কা, বাস্তোনি ও মানচিনি। রিকার্ডো কালাফিওরিও পুরোপুরি ফিট নন।

নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডকে হারাতে পারলে ফাইনালে ইতালির প্রতিপক্ষ হবে ওয়েলস অথবা বসনিয়া-হার্জেগোভিনার মধ্যে বিজয়ী দল। সেই ম্যাচ জিতলেই মিলবে বিশ্বকাপের টিকিট।

সব মিলিয়ে, ইতালির সামনে এখন ‘করো বা মরো’ পরিস্থিতি। ১২ বছরের বিশ্বকাপ অনুপস্থিতি কাটাতে হলে এবারই শেষ সুযোগ হতে পারে আজ্জুরিদের জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights