বিশ্বনাথে ৫০ প্রতিষ্ঠানের ৩৫টিতেই নেই জিপিএ-৫
বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে এবার ৭০ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই সর্বোচ্চ গ্রেডের কোনো ফলাফল আসেনি। উপজেলার ৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ (এ প্লাস) অর্জন করতে পারেনি। এর মধ্যে রয়েছে ২২টি স্কুল ও ১৩টি মাদরাসা। জিপিএ-৫ এসেছে মাত্র ১৫টি প্রতিষ্ঠানে। এমন ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার ৫০টি স্কুল ও মাদরাসা থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মাঝে ৩৫টি স্কুল-মাদরাসার কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি। ফলে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ও একাডেমিক কার্যক্রম নিয়ে চলছে আলোচনা।
অভিভাবকদের অনেকেই বলেছেন, একটি উপজেলার ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের একটিতেও জিপিএ-৫ না পাওয়া স্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়। এর পেছনে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির পাশাপাশি পাঠদানের মান, একাডেমিক তদারকি, বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
কেউ কেউ আবার বলছেন, জিপিএ-৫ না পাওয়াই কোনো প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক শিক্ষার মানের একমাত্র মাপকাঠি নয়। তবে এতোসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জন না করার বিষয়টি ভাবা দরকার।
এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার আবদুল হামিদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বিশ্বনাথ উপজেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট বেশি। তাছাড়া অনেকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনী পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদেরও বোর্ড পরীক্ষায় সুযোগ দেন। এটাও ফলাফলে একটা প্রভাব পড়ে।
