বেনাপোল সজীব হত্যার রহস্য উদঘাটন গ্রেফতার-৪,
মীর ফারুক হোসেন যশোর (শার্শা)প্রতিনিধি
যশোর বেনাপোল ইজিবাইক চালক সজিব হত্যা রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকাণ্ডের
সাথে জড়িত ০৪ জনকে আটক করেছে যশোর গোয়েন্দা পুলিশ।
তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ১ ছুরি ১ ইজিবাইক ১ রক্তমাখা গেঞ্জি ও
১ মোবাইল ফোন উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ।
আটকৃতরা হলো ০১,গয়ড়া গ্রামের লিটন হোসেন এর ছেলে শামীম হোসেন(২০)
০২,বেনাপোল বড় আচড়া গ্রামের সওদাগর আলীর ছেলে আশরাফুল আলম রাব্বি(১৯)
০৩,বেনাপোল বড় আচড়া মাঠপাড়া ইসমাইল হোসেনের ছেলে আজম হোসেন(২০) ০৪,
রাড়িপুকুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩০)
পুলিশ সূত্রে জানা যায় গত ১৮ অক্টোবর বেনাপোল থানাধীন খড়িডাঙ্গা টু গয়ড়া
রোডে পাশে ধানি জমিতে একটি গলাকাটা যুবকের লাশ উদ্ধার করে বেনাপোল পোর্ট
থানা পুলিশ। গয়ড়া গ্রামের শহীদ গাজী থানায় গিয়ে লাশ সনাক্ত করে তার বড় ছেলে
সজিব গাজী(২০)
এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয় মামলা নং-৩৭
ডিবি পুলিশের এসআই মুরাদ হোসেন জানান ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক
হওয়ায় পুলিশ সুপার জেলা গোয়েন্দা শাখার উপর তদন্তের দায়িত্ব দেন।আমরা
তদন্তে নেমে ১২ ঘন্টার মধ্যে হত্যার ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত শামীম ও
রাব্বিকে বেনাপোল বল ফিল্ড এলাকা হতে হত্যাকাজে ব্যবহৃত রক্তমাখা চাকুসহ
হাতে নাতে ধৃত করি।ঐ তাদের স্বীকারোক্তি মতে নিহতের নিকট থেকে নেওয়া
ইজিবাইক বিক্রয়ের সহযোগীতার সাথে জড়িত আরো ২ সদস্যকে গ্রেফতার করে
শার্শা বাগআচড়া ময়ুরী সিনেমা হলের সামনে থেকে ইজিবাইকটি উদ্ধার করে।
যশোর ডিবি পুলিশের (ওসি) রুপন কুমার ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান
মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয়ে টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে পূর্ব
পরিকল্পিতভাবে ইজিবাইক চালক সজিবকে মাদকদ্রব্য গাঁজা সেবনের কথা বলে
ঘটনাস্থলে নিয়ে চাকু দিয়ে জবাই করে হত্যা করে।মরদেহ ধান ক্ষেতে ফেলে দিয়ে
ঘাতকরা নিহতের ইজিবাইকটি নিয়ে চলে যায়।
আটকৃদের হত্যা মামলায় আটক দেখিয়ে যশোর কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা
হয়েছে।
