ভারী বর্ষণে ঝালকাঠি শহরে জলাবদ্ধতা, চলাচলে ভোগান্তি
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ঝালকাঠিতে ভারী বর্ষণে শহরের বেশিরভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। গত রাত থেকে টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে শহরের বিভিন্ন অলিগলি। এর ফলে জেলা শহরের বিভিন্ন অফিস আদালত, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসত ঘরের সামনে দেখা যায় হাঁটু পানি। শহরের অনেক বাসা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিসে পানি ঢুকে গেছে। জেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। কাচা, আধা পাকা বসত ঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সোমবার সকাল থেকে জেলা জুড়ে ভারী বর্ষণ চলছে। এতে জেলা প্রশাসকের বাসভবন, জেলা শিক্ষা অফিস, ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, পালবাড়ি খেয়াঘাট থেকে উপজেলা পরিষদ চত্বর, সাধনা মোড় থেকে ফায়ার সার্ভিস রোড, ব্রাকমোড় থেকে বিকনা সড়ক, চাঁদকাঠি বাজারসহ শহরের প্রায় সড়কেই হাঁটু সমান পানি জমে জলাদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
পাঁচ দিন ধরে বৃষ্টি হলেও গত দুদিন ধরে বিরামহীন বৃষ্টি পড়ছে। এতে পৌর শহরের সড়কগুলিতে পানি জমে থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভাঙ্গা রাস্তাগুলো। ভাঙা রাস্তা আরও ভেঙেছে, হয়েছে গর্ত। সড়কগুলো খানাখন্দে পরিণত হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পরেছেন পৌর শহরবাসী। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া সাধারণ মানুষও বৃষ্টিতে বিপাকে পড়ছেন। এছাড়া বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়ছেন খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি।
এদিকে টানা বৃষ্টি এবং সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। ফলে এসব এলাকায় সাধারণ মানুষও ভোগান্তিতে পড়ছেন। অনেক কাচা রাস্তা ও কাচা বাড়ি ধসে পড়েছে। অনেক স্থানে গাছ পালা উপড়ে পড়েছে। ডালপালা ভেঙে গেছে।
ঢাকা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, রেকর্ড অনুযায়ী বরিশাল ঝালকাঠিতে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১১৬ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বিকেল ৪টা পর্যন্ত মুষলধারে বৃষ্টিপাত ছিল।
