ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বিমান হামলায় কলম্বিয়া-কিউবার উদ্বেগ
অনলাইন ডেস্ক
ভেনেজুয়েলার রাজধানীতে বিমান হামলার বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে মার্কিন কর্মকর্তারা। তবে তারা হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। এদিকে, ভেনেজুয়েলায় চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কলম্বিয়ার এবং কিউবার রাষ্ট্রপ্রধানগণ উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস এ তথ্য জানান। ভেনেজুয়েলা সরকার অভিযোগ করেছে, কারাকাসে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলার পরপরই ভেনেজুয়েলা দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। এ হামলার পর কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘কলম্বিয়া যেকোনো একপক্ষীয় সামরিক পদক্ষেপকে প্রত্যাখ্যান করে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন খামখেয়ালি আচরণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে। একইসঙ্গে ভেনেজুয়েলার সাধারণ জনগণকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, কলম্বিয়া প্রতিবেশী দেশের পরিস্থিতি ‘গভীর উদ্বেগের সঙ্গে’ পর্যবেক্ষণ করছে এবং সমস্ত পক্ষকে সংঘাত এড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলাকে ‘অপরাধমূলক’ কার্যক্রম হিসেবে আখ্যায়িত করে এক পোস্টে বলেন, কিউবা এই অপরাধমূলক হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দাবি করছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, কারাকাসের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত প্রধান সামরিক স্থাপনা ফোর্ট তিউনার কাছাকাছি এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওই এলাকায় হামলার মুহূর্ত ধরা পড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। প্রাথমিক তথ্যে আরও দাবি করা হয়েছে, জেনারালিসিমো ফ্রান্সিসকো দে মিরান্ডা বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলার সময় কারাকাসের আকাশে মার্কিন সিএইচ-৪৭ চিনুক হেলিকপ্টার উড়তে দেখা গেছে। প্রশস্ত অ্যাঙ্গেলের কিছু ফুটেজে শহরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন বিমান হামলার দৃশ্য রয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি
