মনোনয়নের খবরে নয়, অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

কক্সবাজার প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার বিকেলে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে কক্সবাজার-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদের নাম ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর কিছুক্ষণ পর রাত ৯টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন আলমগীর ফরিদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী ও মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল আলম।

মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে- প্রিয় নেতার মনোনয়ন পাওয়ার খবরে খুশিতে উত্তেজনায় স্ট্রোক করে ফরিদ মারা গেছেন। বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমেও এ ধরনের খবর প্রকাশিত হয়। তবে মনোনয়নের খবরে মারা যাওয়ার বিষয়টিকে গুজব বলে দাবি করেছে ফরিদের পরিবার। পরিবার জানিয়েছে, ফরিদ দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন এবং আগেও কয়েকবার স্ট্রোক করেছেন। টানা ১৫ দিন ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত সপ্তাহে তাকে কালারমারছড়ার নোনাছড়িস্থ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

ফরিদের ভাতিজা মোহাম্মদ নিশান বলেন, আলমগীর চাচার মনোনয়ন পাওয়ার খবরে আমার চাচা খুশিতে স্ট্রোক করে মারা গেছেন এ খবর মোটেও সত্য নয়। উনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু সন্ধ্যায় হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে আমরা তাকে পাশের বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখান থেকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিএনপির স্থানীয় এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, আলমগীর ফরিদ সাহেবের খুব ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন ফরিদ। তারা একসঙ্গে রাজনীতি করেছেন। কিন্তু মৃত্যুর সংবাদকে বিকৃত করে প্রচার করা অত্যন্ত দুঃখজনক। মৃত মানুষকে নিয়ে এমন আচরণ কাম্য নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights