মাঠের লড়াইয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় লিটন

অনলাইন ডেস্ক

টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে ভেন্যুতে পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনের সুযোগ ছিল কেবল এক দিনই। সিরিজ শুরুর আগের সেই দিনটি ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। লিটন দাস অবশ্য তার পরও প্রস্তুতির ঘাটতি দেখছেন না। তবে মাঠের লড়াইয়ে বাংলাদেশের অপেক্ষায় যে কঠিন চ্যালেঞ্জ, সেটা উপলব্ধি করতে পারছেন বাংলাদেশের এই সিরিজের অধিনায়ক।

সেন্ট ভিনসেন্টের কিংসটাউনে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামবেন লিটনরা। টি-২০ সংস্করণে এমনিতেই বাংলাদেশ খুব ধারাবাহিক নয়। এই বছরের পারফরম্যান্সও খুব আশা জাগনিয়া নয়। এ বছর ২১ ম্যাচে জয় আছে কেবল ৯টি। সিরিজ হারতে হয়েছে শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের বিপক্ষে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও পারফরম্যান্স ছিল না প্রত্যাশিত।

এখন তো ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশড হওয়ার যন্ত্রণাও সঙ্গী এই দলের। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই টি-টোয়েন্টি সংস্করণেই সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক। দেশের মাঠে খেলার বাড়তি সুবিধা তো আছেই। সব মিলিয়ে সিরিজ শুরুর আগে নিজেদেরকে পিছিয়েই রাখছেন লিটন।

তিনি বোলেণ, “সাধারণত টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলি আমাদের জন্য সবসময় একটু কঠিনই হয়। যেহেতু এটা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঘরের মাঠে খেলা, একটু কঠিন আমাদের জন্য হবেই। তবে আমরা চেষ্টা করব এখান থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসা যায় এবং ভালো একটি সিরিজ খেলার চেষ্টা করব।”

সেন্ট কিটস থেকে সেন্ট ভিনসেন্টে গিয়ে শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) কৃত্রিম আলোয় ফিল্ডিং অনুশীলন করেছেন লিটনরা। পরদিন ব্যাটিং-বোলিং অনুশীলন আর করা হয়নি। তবে এটিকে তেমন কোনো বাধা মনে করেন না অধিনায়ক।

তিনি জানান, “ঘাটতি নেই। কারণ এই দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটারই ওয়ানডেতে খেলেছে, টেস্টে খেলেছে। তারা খেলার মধ্যেই আছে অনেক দিন ধরে। দু-একজন ক্রিকেটার হয়তো নতুন, তবে তারা দু-এক সেশন অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছে।”

এমনিতে এই মাঠ বাংলাদেশের জন্য বেশ চেনা। গত জুনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখানে তিনটি ম্যাচ খেলেছেন লিটনরা। নেপাল ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জয় ধরা দিয়েছিল এখানে, হারতে হয়েছিল আফগানিস্তানের বিপক্ষে। বিশ্বকাপের সময় উইকেট ছিল অনেকটাই বোলিং সহায়ক। ব্যাটসম্যানদের কাজটা ছিল ভীষণ কঠিন। তবে এবার উইকেট অন্যরকম মনে হচ্ছে লিটনের কাছে।

লিটন বলেন, “বিশ্বকাপে যে উইকেট ছিল আর এবার যে উইকেট, একটু পার্থক্য দেখা গেছে, গতকাল যখন অনুশীলন করেছি, উইকেট একইরকম নয়। তারা হয়তো ভিন্নভাবে তৈরি করেছে। আমরা এখনও চিন্তাভাবনা করিনি। আমাদের দলীয় ভারসাম্য চিন্তাভাবনা করে এগোব। বাংলাদেশের জন্য সেরা দল যেটি হবে, সেভাবেই করব।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights