মাঠে বিএনপির পাঁচজন সক্রিয় জামায়াত প্রার্থীও

জামান আখতার, চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গা সদর (তিনটি ইউনিয়ন বাদে) ও আলমডাঙ্গা উপজেলা নিয়ে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনটি পুনরুদ্ধারে বিএনপির একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীর নাম শোনা যাচ্ছে। তারা হলেন- দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি শামসুজ্জামান দুদু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ কামরুজ্জামান, সাবেক সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম বিশ্বাসের মেয়ে কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সদস্য মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস মিলি ও আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শহিদুল কাউনাইন টিলু। এ ছাড়া জামায়াতের প্রার্থী দলের সহকারী সেক্রেটারি ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জেলা কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জহুরুল ইসলাম। আওয়ামী লীগ না থাকায় এ আসনে বিএনপি অনেকটা ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে। তবে নিজ দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বেড়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এ আসনে বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী নতুন মুখ হলেও ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করছেন। বিএনপি প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বললে সবাই নিজ নিজ অবস্থানে এগিয়ে থাকার বার্তা দিয়েছেন। জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, শৃঙ্খলার স্বার্থে জেলা বিএনপির সব নেতা-কর্মী আমার পক্ষে আছেন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, জেলা বিএনপির বেশির ভাগ নেতা-কর্মীই আমাকে সংসদে দেখতে চান। জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ কামরুজ্জামান বলেন, সব সময় এলাকার সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গেই আছি। কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সদস্য মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস মিলি বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিএনপির আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শহিদুল কাউনাইন টিলু বলেন, মাটি ও মানুষের সেবা করার জন্য মনোনয়ন চাইব। জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, ভোটাররা পরিবর্তনের লক্ষ্যে এবার জামায়াত প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা জহুরুল ইসলাম বলেন, ভোটাররা আমাকেই নির্বাচিত করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights