মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানানোর প্রস্তাব রেখে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, ‘এই সংসদে আমরা যারা আছি তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি’।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অভিবেশনের ২৪তম দিন বুধবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ প্রস্তাব রাখেন।

মুক্তিযোদ্ধার নামের আগে ‘বীর’ শব্দ ব্যবহারের প্রস্তাব রেখে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে যদি বীর মুক্তিযোদ্ধাটা বলা হয়, আমরা যদি সংসদের ভেতর এটা চালু করি, বাইরেও এটা বলতে পারব। তাহলে আমার মনে হয়, ইয়াং জেনারেশন আছে, নতুন প্রজন্ম তারাও জানতে পারে।

শামা ওবায়েদ বলেন, গতকাল মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এই মহান সংসদে কথা হয়েছে। তারপর আমার মনে হয়েছে, যেহেতু এই সংসদে আমরা যারা আছি তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি। সেই কারণে আমার মনে হয়, এখানে যারা বীর মুক্তিযোদ্ধা আছেন এবং আমাদের আপনিও বলেছেন আমাদের বিরোধী দলে যারা বসে আছেন, তাদের মধ্যেও কিছু কিছু মুক্তিযোদ্ধা আছেন। তাদের নামের আগে যদি বীর মুক্তিযোদ্ধাটা বলা হয় এবং তারপরে নামটা বলা হয়, তাহলে মনে হয় যারা ইয়াং জেনারেশন আছে, নতুন প্রজন্ম তারাও জানতে পারে। মুক্তিযোদ্ধাদেরও একটা সম্মান দেওয়া হয়। সংসদের ভেতরে যদি আমরা এটা চালু করি সংসদের বাইরেও এটা আমরা বলতে পারব, করতে পারব।

এ সময় স্পিকার বলেন, ইতোমধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় কিছু পরিবর্তন এনেছে, সংসদও অনুমোদন দিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা তিনিই যিনি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন, বাকিরা সবাই মুক্তিযোদ্ধা সহায়ক, এই সংজ্ঞা পরিবর্তিত হয়ে গেছে। এখানে ক’জন অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন আমার জানা নাই। তবে সাধারণত সংসদে আসনভিত্তিক পরিচয় দিয়েই আমরা আলাপ করে থাকি। মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় এখানে উহ্য থাকে তবুও যদি শিউর হই, কারো সম্পর্কে যিনি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞার মধ্যে পড়েন, তাহলে সেভাবে তাকে উল্লেখ করার চেষ্টা করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights