যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ যে শুধু ইরানে সীমাবদ্ধ থাকবে না, তা যেমন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সময়সীমার মধ্যে তাঁর ‘এপিক ফিউরি’ অভিযান শেষ করার পরিকল্পনা করেছিলেন, সেই মেয়াদের মধ্যে যুদ্ধ শেষ না হওয়ার লক্ষণও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

ইরানের ওপর হামলা এখন আর ট্রাম্পের প্রাথমিক লক্ষ্য দেশটিতে ‘রেজিম চেঞ্জ’-এর বোলচাল এবং বর্তমান ইসলামি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের রাজপথে নেমে এসে জনগণের পছন্দনীয় সরকারকে ক্ষমতায় বসানোর আহ্বানের মধ্যে আটকে নেই। কারণ তাদের সরকার পাল্টানোর পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে।

হামলার প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করামাত্রই ধর্মীয় যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যারা আন্দোলন করে আসছিল নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ সূত্রের মতো ক্ষমতার আপেল তাদের কোলে পড়বে বলে নেতানিয়াহু ও ডোনাল্ড ট্রাম্প যে আশা করেছিলেন, তাদের সে আশা পূরণ হয়নি। এমনকি যুদ্ধের নবম দিনেও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ শহর ও স্থাপনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি এবং অন্য অবস্থানগুলোতে ইরানের পাল্টা আঘাত হানা বন্ধ করা সম্ভব হয়নি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনীর পক্ষে। বোমা ও মিসাইল হামলায় ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্র ধ্বংস করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো সময় ইরানে স্থল অভিযান শুরু করবে।

ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনায় তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরানের পক্ষ থেকে ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো টার্গেটে হামলার আভাস ছিল না। এমনকি গত বছরের জুন মাসে ইরানের ওপর ইসরায়েলের বিমান হামলার পূর্বপর্যন্ত ইরান ইসরায়েলের দিকে কোনো মিসাইল নিক্ষেপ করেনি এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় আক্রমণ চালিয়ে তাদের স্থাপনাগুলোর কার্যক্ষমতা ধ্বংসের দাবি করার পূর্বপর্যন্ত ইরান কাতারের রাজধানী দোহার শহরতলিতে অবস্থিত আমেরিকান সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে কয়েকটি মিসাইল নিক্ষেপের অতিরিক্ত আর কিছু করেনি।

কিন্তু এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ওমানের মধ্যস্থতায় ভিয়েনায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা চলাকালেই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের ওপর বিমান হামলা চালিয়ে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বকে বিনাশ করার পর ট্রাম্প অজুহাত দেন যে তারা আক্রমণ না করলে ইরান তাদের ওপর আক্রমণ চালাত। বহিঃশক্তির হামলা মোকাবিলায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া আমেরিকান প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার না রাখলেও ইরানের ওপর হামলা চালানোর ক্ষেত্রে তিনি কংগ্রেসের অনুমোদন গ্রহণের তোয়াক্কা করেননি।

ইরানের ওপর অপ্রয়োজনীয় ও অসময়োচিত যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে তিনি কেবল ইরান বা মধ্যপ্রাচ্য নয়, সমগ্র বিশ্বকে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়ে কার্যত ‘ভৌগোলিক আত্মহত্যা’র কারণ ঘটিয়েছেন। যুদ্ধের ফলাফল যা-ই হোক না কেন যুদ্ধ শেষে দেখা যাবে যে বিশ্ব আর যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় নেই। নতুন এক বিশ্বব্যবস্থার উদ্ভব হচ্ছে। সেই বিশ্বব্যবস্থা হবে সম্ভবত পারস্পরিক সংশয় ও অনিশ্চয়তার।

‘টাইম’ ম্যাগাজিনের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি কোনো যুদ্ধ শুরু করবেন না, বরং যেসব অঞ্চলে যুদ্ধ চলছে, তিনি সেসব যুদ্ধের অবসান ঘটাবেন। কিন্তু তিনি তার প্রতিশ্রুতি ভুলে গিয়ে ক্রমবর্ধমান ভারসাম্যহীন উপায়ে বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক বাহিনীকে মোতায়েন করেছেন। আমেরিকার আর কোনো প্রেসিডেন্ট এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বেশিসংখ্যক দেশের ওপর সরাসরি হামলা পরিচালনার নির্দেশ দেননি।

ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর আটটি দেশের ওপর হামলার অনুমতি দিয়েছেন, যার মধ্যে তিনটি দেশকে আমেরিকান বাহিনী আগে কখনো সরাসরি টার্গেট করেনি। ২০২৫ সালে তিনি যে পরিমাণ বিমান হামলার অনুমতি দেন, তাঁর পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চার বছর মেয়াদেও এতগুলো হামলার অনুমতি দেননি। তিনি ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিমান হামলার নির্দেশ দিয়েছেন, ভেনিজুয়েলায় কিছু নৌযান মাদক পাচার করছে সন্দেহে সেগুলোর ওপর আমেরিকান নৌবাহিনীকে হামলা এবং একপর্যায়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার জন্য সেনাবাহিনীকে অনুমতি দিয়েছেন।

ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর কদিন পরই আমেরিকান সৈন্যরা ইকুয়েডরে কথিত সন্ত্রাসী সংগঠনের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযানে অংশ নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে কিউবার ওপর এবং ট্রাম্প তাঁর উপদেষ্টাদের নির্দেশ দিয়েছে কিউবায় বিগত ছয় দশকের কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ঘটানোর পরিকল্পনা তৈরি করতে। এসব তৎপরতা থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মুখে শান্তির কথা বললেও তিনি কাজ করছেন উল্টো। এখন তিনি ইরানে এমন এক সংঘাতে জড়িয়েছেন, যা স্বয়ং তিনি দীর্ঘদিন ধরে বলেছেন এড়িয়ে চলতে। তাঁর মিত্ররাও তাঁকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ না জড়াতে।

সৌদি আরবের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান প্রিন্স তুর্কি আল-ফয়সল এক সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজকে বলেছেন, ইরানে হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছেন। তাঁর মতে, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর অন্য নেতারা আমেরিকাকে সতর্ক করেছিলেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে না জড়াতে। কারণ ইরানে যুদ্ধ শুরু হলে তা কেবল ইরানে সীমিত থাকবে না। ইরান যে উপসাগরীয় দেশগুলোর আমেরিকান অবস্থানের ওপর হামলা চালিয়েছে, তাতে সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ আদৌ অবাক হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ‘এ যুদ্ধ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর যুদ্ধ। যেখানে কুকুরের লেজ নাড়ানোর কথা, সেখানে লেজই কুকুরকে নাড়াচ্ছে। নেতানিয়াহু সাত দফা আমেরিকা সফর করে কোনোভাবে তাঁর পক্ষে আমেরিকার সমর্থন আদায় করেছেন। ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র বেশ আগে ইরানের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছিল, কিন্তু কূটনীতি কাজ করেনি। যুদ্ধ শুরু হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কিছুই হাসিল করেনি। যুদ্ধের ওপর ট্রাম্প তাঁর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছেন। তিনি ভবিষ্যতের কোনো হিসাব করেননি। ইরান যুদ্ধবিরতির কথা বলছে না। তারা তেলকে অস্ত্রে পরিণত করবে। দেশে দেশে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে, স্টক মার্কেটে ধস নামবে। বিশ্ব অর্থনীতিতে নজিরবিহীন মন্দার সৃষ্টি হবে। প্রস্তুতিবিহীন যুদ্ধ এখন আমেরিকার জন্য অতীতের যেকোনো সময়ের জন্য ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়াবে। সেদিক থেকে এটি সম্পূর্ণ লক্ষ্যহীন এক যুদ্ধে পরিণত হবে। ইসরায়েলের জন্য আমেরিকা তার জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে, আমেরিকান জনগণের তা কাম্য নয়।’

জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ওয়ালি নসর ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইসরায়েল ইরানে লক্ষ্য পূরণে সক্ষম হলে তার পর সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় প্রথমে শিয়া দেশ ও গোষ্ঠীগুলোকে কাবু করবে। তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ হবে ইসরায়েলবিরোধী সুন্নিদের দমন। তখন তারা দৃষ্টি ফেরাবে সৌদি আরব, কাতার, তুরস্ক ও পাকিস্তানের দিকে। এই দেশগুলো কী করবে তা ডিকটেট করবে ইসরায়েল এবং এজন্য বর্তমান সময়ের মতো তারা নিজেদের স্বার্থে আমেরিকাকে ব্যবহার করবে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যদি এখনো সতর্ক না হয়, তাহলে তাদের জন্য যে অন্ধকার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই বলে মনে করেন ওয়ালি নসর।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চেয়েছিলেন সাতচল্লিশ বছর যাবৎ ইরানের যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীকে সমূলে উৎখাত করে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠায় তিনি মুখ্য ভূমিকা পালন করবেন এবং ৯ কোটি জনসংখ্যা-অধ্যুষিত ইরানকে আঞ্চলিক ক্ষমতার কেন্দ্রে পরিণত করতে পরবর্তী সরকারকে সর্বতোভাবে সহায়তা করবেন। তাঁর মতে, ‘নতুন সরকারের নতুন নেতা কে হবেন তা ইরানের জনগণই নির্বাচন করবেন, কিন্তু আমাদের নিশ্চিত হতে হবে যে এই নেতা হবেন এমন একজন, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য ও সন্তোষজনক।’

আট মাস আগে ইরানের ওপর হামলা চালানো ট্রাম্পের জন্য অনিবার্য হয়ে উঠল কেন, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিশ্লেষকরা অধিকাংশই একমত যে এবারের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের জড়িত হওয়ার ঘটনা সম্পূর্ণভাবেই ইসরায়েলের উসকানিতে। গত আট দিনের অভিযানে ইরানের দুই হাজারের বেশি স্থানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বোমা ও মিসাইল হামলায় দেশটির সামরিক ও বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক। তা সত্ত্বেও তারা যুক্তরাষ্ট্রের মতো পরাশক্তির কাছে হার না মেনে অবস্থান ধরে রেখেছে, যুদ্ধের ইতিহাসে এর দৃষ্টান্ত পাওয়া যাবে না।

১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে আমেরিকান অর্থনৈতিক অবরোধের ফলে প্রায় বিধ্বস্ত একটি দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র যেচে নিজ দেশে অর্থনৈতিক মন্দাকে আমন্ত্রণ করছে। তা ছাড়া ট্রাম্পের ইরান অভিযান তার প্রেসিডেন্সির জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিভিন্ন জরিপে ইরানে হামলার বিরুদ্ধে আমেরিকান জনমত থেকে আভাস পাওয়া যায় যে আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠেয় মধ্যমেয়াদি নির্বাচনে কংগ্রেসে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

এদিকে সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে স্থলযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সুবিধা করতে পারবে না। ইরাক সমতলভূমি হওয়া সত্ত্বেও ২০০৩ সালে প্রেসিডেন্ট ডব্লিউ বুশ সেখানে স্থল অভিযান চালাতে গিয়ে আমেরিকান বাহিনীকে চরম সংকটের মধ্যে ফেলেছিলেন। সেই অভিযানে শুধু আমেরিকান সৈন্য নিহত ও বিপুল অর্থ ব্যয় হয়নি, আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল এবং ইরাকিদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল আমেরিকানদের বিরুদ্ধে। আফগানিস্তানে আমেরিকান ও কোয়ালিশন বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়তে নিয়মিত কোনো বাহিনী ছিল না। তা সত্ত্বেও দুর্গম পার্বত্য এলাকায় ঘাপটি মেরে থাকা তালেবানদের সঙ্গে পেরে ওঠেনি আমেরিকান বাহিনী। বহু সেনা হতাহত ও বিপুল সম্পদ ক্ষয় করে আমেরিকাকে আফগানিস্তান থেকে বিদায় নিতে হয়েছে অসম্মানজনকভাবে।

ইরানের মোট আয়তনের প্রায় ৫৫ শতাংশ পার্বত্য এলাকা। অতএব স্থল অভিযানে আমেরিকান বাহিনী খুব সুবিধা করতে পারবে বলে মনে করেন না বিশেষজ্ঞরা। ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ও সামরিক নেতারা মনে করেন যে তাঁদের হারানোর কিছু নেই। তাঁরা কোনো দেশের ওপর হামলা চালাননি; বরং হামলাকারীদের হাত থেকে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য লড়ছেন। ইরানিরা সচরাচর একটি প্রবাদ উচ্চারণ করে : ‘জেন্দেহ-ইম কে বেমিরিম,’ অর্থাৎ ‘আমরা তো মৃত্যুবরণ করার জন্যই বেঁচে আছি।’

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights