রাকসু জিএস আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

গ্রন্থাগারে মারধরের ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ শিবিরের ৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মাহিমের বাবা এম.এস আসাদ উজ জামান আদালতে এই মামলা করেন।

বৃহস্পতিবার রাতে মহানগর আদালতের পরিদর্শক আবদুর রফিক তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২, আমলী আদালত (মতিহার) বিচারক আশিকুর রহমান মামলাটি তদন্তে পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজীব, রাকসু এজিএস এস এম সালমান সাব্বির, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি এম নাজমুস সাকিব, তথ্য ও গবেষণা উপ-সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি আহসান উল্লা ফারহান, নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ ও সিনেট প্রতিনিধি ফাহিম রেজা।

মামলাকারী আসাদ উজ জামান বলেন, গত ২৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে আমার ছেলে মাহমুদুলের ওপর হামলা করে কিছু সন্ত্রাসী। তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে। এতে মাহমুদুল গুরুতর আঘাত পায়। এ ঘটনায় মতিহার থানায় মামলার জন্য গেলে সেটা নেওয়া হয়নি। পরে আদালতে মামলাটি করি।

এ ব্যাপারে রাকসু এজিএস সালমান সাব্বির বলেন, তথ্যটি কিছুক্ষণ আগে জেনেছি। আমাদের ওপরে হামলা হলো, সেটা প্রতিহত করায় আমাদের নামেই মামলা করা হয়েছে! আমরা রাকসু নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।

এর আগে, গত ২৭ জুলাই সকালে প্রক্টর দপ্তরে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়ে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী আনাসকে চড়থাপ্পড় মারেন রাকসু জিএস আম্মার। এ ঘটনার পর আনাস দলবল নিয়ে রাকসু ভবনে গিয়ে আম্মার ও তথ্য সম্পাদক নাজমুস সাকিবের ওপর হামলা চালান। এতে সাকিব আহত হন বলে অভিযোগ রাকসু নেতাদের। এ ঘটনার পর আনাস ও মাহমুদুলের ওপর পাল্টা আক্রমণ করে রাকসু ও শিবিরের নেতাকর্মীরা। এতে মাহমুদুল আহত হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights