রাজধানীর সড়কে তীব্র যানজট, ইফতারের আগে চরম ভোগান্তি

পবিত্র রমজান মাসের শেষের দিকে এসে রাজধানীর যানজট পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। রবিবার দুপুরের পর থেকেই শহরের প্রায় প্রতিটি প্রধান সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও তীব্র যানজট লক্ষ্য করা গেছে।

বিশেষ করে সাপ্তাহিক কর্মদিবসের প্রথম দিন হওয়ায় এদিন অফিস ছুটির পর ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে পড়ে। এতে ইফতারের আগে বাসায় ফিরতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ে হাজার হাজার মানুষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকার শাহবাগ, ধানমণ্ডি, ফার্মগেট, পল্টন, কারওয়ান বাজার, মিরপুর রোড, শ্যামলী, মহাখালী, বনানী, বাড্ডা, রামপুরা, মালিবাগ ও কাকরাইল এলাকায় বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ দ্রুত বাড়তে থাকে। কোথাও কোথাও কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেক স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল সবুজ হলেও ধীরগতির কারণে গাড়ি এগোতে পারছিল না। ফলে একটি সিগন্যাল পার হতেই সময় লেগেছে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত।

বনানী ফ্লাইওভারে দীর্ঘক্ষণ যানবাহন প্রায় স্থির অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। একই চিত্র দেখা গেছে মালিবাগ-মৌচাক-মগবাজার সড়কেও গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে বাস, প্রাইভেট কার, সিএনজি ও মোটরসাইকেলকে।

যানজটে আটকে পড়া যাত্রীরা চরম বিরক্তি প্রকাশ করেছে।

বনানী ফ্লাইওভারে যানজটে আটকা থাকা মোটরসাইকেল চালক রোহিত বলেন, দীর্ঘ যানজটে বসে আছি। বাসায় গিয়ে ইফতার করতে পারবো কিনা সন্দেহ।

বেসরকারি চাকরিজীবী শাহ আহমেদ রাকিবুল বলেন, রোজা শেষের দিকে প্রায় প্রতিদিনই অফিস শেষে বাসায় ফেরার সময় যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ইফতারির আগ মুহূর্তে এমন যানজট চরম অসহনীয়। পুরো ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো দরকার। আর কিভাবে যানজট কমবে সেই বিষয়ে সরকারের দ্রুত কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়া উচিত। যানজটে একদিকে সময় অপচয় হচ্ছে। অন্যদিকে, জ্বালানী ব্যয়ও বাড়ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights