রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে মতামত দিতে চাই না: ইসি সানাউল্লাহ সানাউল্লাহ
নিজস্ব প্রতিবেদক
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এনসিপির আন্দোলন প্রসঙ্গে বলেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আমরা কোনও মতামত দিতে চাই না।
স্থানীয় নির্বাচন তারা আগে চাচ্ছে- এমন বিষয় সামনে আনলে তিনি বলেন, নির্বাচনের সিক্যুয়েন্স কোনটা আগে হবে, কোনটা পরে হবে এটা পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের হাতে নেই। সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে কোন নির্বাচন আগে হবে বা পরে হবে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।
বুধবার কমিশন বৈঠক শেষে ইসি সানাউল্লাহ নির্বাচন ভবনে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দল ও প্রার্থী নির্বাচনি প্রচার বিধিমালা এবং ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা নিয়ে বৈঠক করেছি। দুটোই বিশদভাবে আলোচনা হয়েছে। খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কমিটি এ নিয়ে কাজ করে কমিশনের কাছে উপস্থাপন করবে। তবে সংস্কার উদ্যোগ এর সঙ্গে সম্পৃক্ত আছে। অপরাপর সংশোধনীর বিষয় আছে। ততদিন পর্যন্ত হয়তো আমাদের অপেক্ষা করা লাগতে পারে এই জিনিসগুলো চুড়ান্ত করার জন্য। তবে নীতিমালার খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন হয়েছে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, আচরণ বিধিমালার সঙ্গে সংস্কার কার্যক্রম জড়িত। সেটা হলেই এটা চূড়ান্ত করা হবে।
কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে এনসিপি’র তোলা প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, কোনও রাজনৈতিক বক্তব্যের ওপর মন্তব্য করতে চাই না। কমিশন সস্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং করে যাবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কোন আইনের বলে কাজ করেছি। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ৫০, স্থানীয় নির্বাচন ( সিটি করপোরেশন) আইনের ৫৪ ধারা। পৌরসভা নির্বাচনের বিধি ৫৪, উপজেলা নির্বাচন বিধিমালার ৫৬, ইউপি নির্বাচনের বিধি ৫৪। এই সবগুলোতে বলা আছে, নির্বাচন দরখাস্তে কাদের পক্ষভুক্ত করা যাবে। সেখানে নির্বাচন কমিশনকে পক্ষভুক্ত করার কোনও আইন নেই। কিন্তু আমাদের দেশে যেটা হয়ে থাকে, যদি কেউ দরখাস্ত করে থাকেন, নির্বাচন কমিশনকেও একটি পক্ষ বানান। কিন্তু আইনে যেহেতু নেই, আমরা স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত, আমরা ফাইল ঘেটে দেখার চেষ্টা করেছি যে কখনও নির্বাচন কমিশন স্বপ্রণোদিত হয়ে পক্ষভুক্ত হয়েছে কিনা, বা আপিল করেছে কি না। আমরা এমন কোনও নজির পাইনি। সুতরাং আমাদের পক্ষভুক্ত হওয়ার বা আপিল করার সুযোগ আইন আমাদের দেয়নি।
প্রচারণা ইসির তত্বাবধায়নে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, এটাও অনুমোদন হয়েছে। নীতিগতভাবে অনুমোদন হয়েছে। চূড়ান্ত করতে আরেকটু সময় লাগবে।
