রুশ যুদ্ধবিমানের সঙ্গে সংঘর্ষে মার্কিন ড্রোন ধ্বংস, কী বলছে ন্যাটো

কৃষ্ণসাগরের আকাশে রুশ যুদ্ধবিমানের সঙ্গে সংঘর্ষে একটি মার্কিন গোয়েন্দা ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে আমেরিকা। এ নিয়ে উত্তেজনা চলছে মার্কিন ও রাশিয়ার মধ্যে। এরই মধ্যে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলবও করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

তবে রুশ যুদ্ধবিমানের সঙ্গে মার্কিন ড্রোনের সরাসরি সংঘর্ষের অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাশিয়া।

এদিকে, উত্তেজনার মধ্যে একটি রুশ যুদ্ধবিমানকে ধাওয়া দিয়েছে জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমান।
জানা গেছে, বুধবার ন্যাটোভুক্তি দেশ এস্তোনিয়ার আকাশে রুটিন টহল দিচ্ছিল একটি জার্মান এবং একটি যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমান। অভিযোগ, আচমকাই একটি রাশিয়ার যুদ্ধবিমান এস্তোনিয়ার আকাশসীমার খুব কাছে চলে আসে। ঠিক তখনই জার্মানি এবং যুক্তরাজ্যের বিমান রাশিয়ার বিমানকে তাড়া করতে শুরু করে। তবে কোনও বিমানেরই কোনও ক্ষতি হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, মঙ্গলবার রাশিয়া মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করার প্রেক্ষিতেই বুধবারের ঘটনা ঘটেছে। ন্যাটোর ফোর্স হিসেবেই এস্তোনিয়ায় পাহারা দিচ্ছিল যুক্তরাজ্য ও জার্মানির বিমান।

ন্যাটো অবশ্য সরাসরি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। ন্যাটোর প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। বিষয়টি নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিয়েছেন তিনি।

তবে বিশেষজ্ঞ ব্রুনো লেতে জানিয়েছেন, “ন্যাটো বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক। ঘটনাটি সরাসরি ন্যাটোর বিমানের সঙ্গে ঘটেনি। মার্কিন ড্রোনের সঙ্গে হয়েছে। মার্কিন ড্রোনের অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে এর মধ্যে কিছু ধোঁয়াশা আছে। ন্যাটো সেখানে ঢুকতে চাইছে না।”

ন্যাটো মনে করছে আমেরিকা এবং রাশিয়ার আলোচনার মাধ্যমেই এর সমাধান হবে। যদিও ন্যাটোর সংবিধানে আর্টিকাল পাঁচ বলে, “কোনও প্রতিনিধি দেশের উপর হামলার অর্থ ন্যাটোর উপরেই হামলা। কিন্তু সেই জায়গায় ন্যাটো এখনই ঢুকতে চাইছে না।” সূত্র: ডয়েচে ভেলে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights