লন্ডন-ঢাকা ফ্লাইটে আসন ফাঁকা নিয়ে ফেসবুক পোস্ট, প্রতিবাদ বিমানের

অনলাইন ডেস্ক

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের লন্ডন-ঢাকা ফ্লাইটের আসন ফাঁকা সংক্রান্ত এক পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেখা গেছে। ওই পোস্ট জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সুনাম ক্ষুন্ন করার অপপ্রয়াস বলে মনে করে সংস্থাটি। ফেসবুক পোস্টে বলা হয় ‘আসন খালি থাকা সত্ত্বেও টিকিট কিনতে গেলে বলে টিকিট নেই’- এটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ঢালাও মনগড়া অভিযোগ বলছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লন্ডন-ঢাকা ফ্লাইটের আসন ফাঁকা সংক্রান্ত একটি পোস্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে বিমানের যাত্রী এবং সর্বসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এই পোস্ট বাংলাদেশের অন্যতম আইকনিক প্রতিষ্ঠান জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সুনাম ক্ষুন্ন করার অপপ্রয়াস।
বিজ্ঞপ্তি আরও বলা হয়, ‘আসন খালি থাকা সত্ত্বেও টিকিট কিনতে গেলে বলে টিকিট নেই’- এটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ঢালাও মনগড়া অভিযোগ। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সব টিকিট সবার কাছে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত। যেকোনো অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্ট ছাড়াও বিমানের নিজস্ব ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং বিমানের নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্র থেকে বিমানের টিকিট কেনা যাবে। অন্যান্য সব রুটের মতো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকা রুটের সব এয়ার টিকিটই এসব মাধ্যমে বুকিং করা যায়।

এতে আরও বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের অভ্যন্তরে অনুমতি ছাড়া ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ডিজিটাল যেকোনো মাধ্যমে প্রচার করে বিমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ অবস্থায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর, মানহানীকর ও বেআইনি তথ্য সম্বলিত কোনো পোস্ট ফেসবুক অথবা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচার না করতে অনুরোধ জানিয়েছে বিমান।

বিমান বাংলাদেশ জানায়, এয়ারলাইনস ব্যবসায় লিন বা পিক মৌসুম থাকে। পবিত্র রমজান মাসের শুরুর দিকে এবং মার্চ মাসে সাধারণত যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশের যাত্রী চাহিদা কম থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যগামী যাত্রীর চাহিদা থাকে। বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যগামী সবগুলো ফ্লাইট আসন সংখ্যার প্রায় সমসংখ্যক যাত্রী নিয়ে পরিচালনা করছে। কিন্তু যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশগামী ফ্লাইটে বর্তমানে লিন মৌসুমের কারণে কম সংখ্যক যাত্রী নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এপ্রিল মাসের শেষের দিকে যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশগামী ফ্লাইটে যাত্রীর সংখ্যা বাড়তে থাকবে। গত সপ্তাহেও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের গড়ে ৮৬ শতাংশ যাত্রী (কেবিন ফ্যাক্টর) ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights