লাভলীকে নতুন করে বাঁচতে শেখাল বসুন্ধরা গ্রুপ

অনলাইন ডেস্ক

লাভলী খাতুনের জীবন কখনোই সহজ ছিল না। স্বামী একটি ছোট্ট চায়ের দোকান চালাতেন, যা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলত। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। শারীরিক অসুস্থতার কারণে স্বামী জুয়েল মিয়া আর কাজ করতে পারেন না।

সংসারের ভার এসে পড়ে লাভলীর কাঁধে। দুই সন্তানকে নিয়ে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ছিলেন তিনি। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়া এবং সংসারের খরচ জোগানোসহ সব কিছু মিলে এক পাহাড়সম চাপ হয়ে যায় তাঁর জন্য। কোনো স্থায়ী আয়ের উৎস না থাকায় দিন কাটে অভাব-অনটনের মধ্যে।

তবু হার মানেননি তিনি। লাভলীর সংকটময় মুহূর্তে তাঁর জীবনে আশার আলো হয়ে আসে বসুন্ধরা শুভসংঘ। বসুন্ধরা শুভসংঘ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে সেলাই প্রশিক্ষণ নেন। ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ফিরে পান, বুঝতে পারেন পরিশ্রম আর নিষ্ঠা থাকলে নিজে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব।

প্রশিক্ষণ শেষে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে শুভসংঘের মাধ্যমে তাঁকে সেলাই মেশিন উপহার দেওয়া হয়। সেলাই মেশিনটি হাতে পেয়ে যেন তাঁর নতুন জীবনের শুরু। আনন্দে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন লাভলী খাতুন। চোখের কোণে জল চিকচিক করছিল, কিন্তু সেই জল কষ্টের নয়, আশার আলোতে ভরা। তিনি বলেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি নিজে কিছু করতে পারব। এত দিন অন্যের সাহায্যের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতো, আজ থেকে আমি নিজেই রোজগার করতে পারব। বসুন্ধরা গ্রুপ ও শুভসংঘ আমাকে শুধু সেলাই মেশিন দেয়নি, দিয়েছে নতুন করে বাঁচার সাহস। আমি বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি কৃতজ্ঞ।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights