শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে ফের দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস
অনলাইন ডেস্ক
দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে শনিবার তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ায় শীতের তীব্রতা থেকে সাময়িক স্বস্তি মিলেছে। আগের দিন দেশের সাতটি জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেলেও শনিবার তা কিছুটা প্রশমিত হয়। তবে এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী নয় বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী রবিবার দেশের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে সোমবার রাত অথবা মঙ্গলবার সকাল থেকে আবারও তাপমাত্রা কমতে শুরু করতে পারে। এতে দেশের কিছু অঞ্চলে ফের মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাপমাত্রা একই থাকতে পারে বা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে আবার তাপমাত্রা কমতে পারে। তখন দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে দু-এক দিনের জন্য মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ফিরে আসতে পারে।’
তিনি আরও জানান, জানুয়ারির শুরুতে দেশের কুয়াশার পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। এতে সামগ্রিকভাবে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও উত্তরাঞ্চলে শীতের অনুভূতি তুলনামূলক বেশি থাকবে।
এদিকে শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ঢাকায় এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রির ওপরে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর নিচে নামলে সেটিকে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি বলা হয়। তবে কয়েকটি এলাকায় টানা দুই থেকে তিন দিন এ ধরনের তাপমাত্রা বিরাজ করলে তবেই আনুষ্ঠানিকভাবে শৈত্যপ্রবাহ ঘোষণা করা হয়। সে কারণে যশোরে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলেও তা শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি।
আগামী রবিবার অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
