সখীপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নারীকে মারধরের অভিযোগ
সখীপুর(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক নারীকে মারধর করেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা। এ ঘটনায় রবিবার বিকেলে উপজেলার কালিদাস বাজারে ওই চেয়ারম্যানের শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী।
শনিবার বিকেলে পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই রাতেই ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সখীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই নারী। শারীরিকভাবে আহত হয়ে ওই নারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সে কালিদাস এলাকার প্রবাসী লাভলু মিয়ার স্ত্রী। ইতিমধ্যে বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে ওই নারীকে মারধরের ভিডিও চিত্র।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে এ মানববন্ধনে স্থানীয় বণিক সমিতির সভাপতি সোরহাব মেলিটারির সভাপতিত্বে প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, আলহাজ আব্দুল হাই ইয়ার আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা সাদমান সবুজ, প্রভাষক সারোয়ার আলম, আওয়ামী লীগ নেতা মাসুম আল মামুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এ সময় ওই ভূক্তভোগী পরিবারের স্বজনসহ এলাকার সহস্রাধিক মানুষ এ প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যানের মেয়ে ও ভুক্তভোগীর মেয়ে স্থানীয় একটি কিন্ডার গার্টেনে পড়ালেখা করে। শনিবার সকালে চেয়ারম্যানের স্ত্রী ওই কিন্ডার গার্টেনে গিয়ে ভুক্তভোগীর মেয়েকে অশ্লিল গালিগালাজ করে। ছাত্রীর মা গালাগালির বিষয়টি চেয়ারম্যানের বাসায় গিয়ে জানতে চাইলে রুবেল নামের এক যুবক ও চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং ওই নারীকে মারধর করে। যা প্রতিবেশীর মোবাইলের মাধ্যমে ধারণ করা হয়।
ওই নারী বলেন, চেয়ারম্যান আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে ও মারধর করেছে। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। আমার জীবনের নিরাপত্তা চাই।
ইউপি চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা বলেন, ওই মহিলা প্রথমেই আমাকে গালিগালাজ করেছে যে করণেই অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনা ঘটেছে। উদ্দেশ্যমূলক ভাবে এ ঘটনার আংশিক ভিডিও ভাইরাল করা হয়েছে।
সখীপুর থানার ওসি শেখ শাহিনূর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদস্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
