সড়ক বিধ্বস্ত, বান্দরবান-থানচি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
ফাতেমা জান্নাত মুমু,বান্দরবান
কিছুতেই থামছে না বৃষ্টি। বাড়ছে সাঙ্গু নদীর পানি। ভাঙছে পাহাড়। এরই মধ্যে সড়ক ভেঙে থানচি ও বান্দরবানের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বাড়ছে পাহাড়বাসীর ভোগান্তি। দেখা দিয়েছে নানা শঙ্কা। প্রশাসনের ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত থাকলেও স্বস্তি ফেরেনি পাহাড়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি টানা বর্ষণে পাহাড়ি ঢল আর সাঙ্গু নদীর পানিতে তলিয়ে যায় বান্দরবানের নিম্নাঞ্চল। পানিবন্দী হয়ে পড়ে লাখো মানুষ। পাশাপাশি পাহাড় ধসে বিধ্বস্ত হয়েছে সড়কও। ভারী বর্ষণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বান্দরবান-থানচি সড়ক। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চিম্বুক, জীবননগরসহ সড়কের প্রায় সাতটি স্থান।
প্রাথুই পাড়ার প্রধান (কার্বারী) মেনরুম ম্রো জানান, বেশি বৃষ্টি হওয়ায় বান্দরবান- থানচি সড়কের বিভিন্ন স্থানে সড়ক ধসে অনেক নীচে নেমে যায়। এছাড়াও এ সড়কে আরো অনেক ছোট বড় ধস হয়েছে। সড়ক ভেঙে যাওয়ার পর থেকে বান্দরবান জেলা সদরের সাথে থানচির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
থানচি উপজেলার গনমাধ্যম কর্মী অনুপম মারমা জানান, ভারী বর্ষণ চলাকালে চিম্বুক থেকে জীবন নগর পর্যন্ত পোড়াবাংলা, কালো পাহাড়, জীবন নগর, শীলা ঝিরি ও বিদ্যামনি পাড়াসহ অন্তত সাতটি স্থানে ধসে সড়ক অনেক নীচে পড়ে যায়।
বান্দরবানের থানছি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল মনছুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বান্দরবান-থানচি সড়কে চিম্বুক থেকে জীবন নগর পর্যন্ত বেশ কয়েকটি স্থানে ধসে গভীর খাদে পড়ে যায়। ভারী বর্ষণ ও বন্যার কারনে বান্দরবান- থানচি সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল। এছাড়া বন্যার পানি নেমে গেলেও সড়ক বিধ্বস্ত হওয়ার কারণে এ সড়কে গাড়ি চালু করা সম্ভব হয় হচ্ছে না। পরিবেশ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলে সংস্কার কাজ শুরু হবে।
