সারা দেশে ভোটের লড়াই
অনিশ্চয়তা আর শঙ্কা কাটিয়ে সারা দেশে বইছে ভোটের হাওয়া। জোট, স্বতন্ত্র আর একক প্রার্থীরা গতকাল উৎসবমুখর পরিবেশে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়গুলোতে ভিড় জমান। শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে নির্বাচনি উত্তাপে মেতে ছিলেন প্রার্থী ও সমর্থকরা। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা গতকাল মনোনয়নপত্র জমা দেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মোট ৩ হাজার ৪০৭টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে রবিবার পর্যন্ত মাত্র ১৬৬টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। ফলে গতকাল শেষ দিনে নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক ২ হাজার ৫৮২ জন প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। আর মনোনয়নপত্র তুলেও জমা দেননি ৮২৫ জন প্রার্থী। গতকাল বিভিন্ন দলের বেশির ভাগ হেভিওয়েট প্রার্থী তাঁদের সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। এ সময় দলীয় নেতা-কর্মীদের স্লোগানে মুখর ছিল কার্যালয়ের চারপাশ। মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য পরিবেশ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের প্রত্যাশা করেন প্রার্থীরা।
তফসিল অনুযায়ী গতকাল বিকাল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমার সময় ছিল। তবে দিনভর সময় বাড়ানোর গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাড়ায়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ থেকে মনোনয়নপত্র যাছাইবাছাই করবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা। এদিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে দিনব্যাপী ছিল নেতা-কর্মীদের উপচে পড়া ভিড়। এখানে মনোনয়নপত্র জমা দেন ঢাকার ১৩টি আসনের প্রার্থীরা। রাতে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও ঢাকার ১৩টি আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন চৌধুরী ব্রিফিংয়ে বলেন, মোট ১৭৪টি মনোনয়ন জমা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-৪ আসনে ৮টি, ঢাকা-৫ আসনে ১৬টি, ঢাকা-৬ আসনে ৭টি, ঢাকা-৮ আসনে ১২টি, ঢাকা-৯ আসনে ১৪টি, ঢাকা-১০ আসনে ১৩টি, ঢাকা-১১ আসনে ১১টি, ঢাকা-১২ আসনে ১৮টি, ঢাকা-১৪ আসনে ১৩টি, ঢাকা-১৬ আসনে ১৩টি, ঢাকা-১৭ আসনে ১৭টি, ঢাকা-১৮ আসনে ১৭টি মনোনয়ন জমা হয়। তিনি আরও বলেন ১৩টি আসনে ২৫৩টি মনোনয়ন বিক্রি হয়েছিল।
এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে ঢাকা-১৫ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হালিম ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন।
উত্তরের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ের দুটি আসনে ১৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে পঞ্চগড়-১ আসনে জমা দিয়েছেন ৮ জন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির, জামায়াত-সমর্থিত ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। অন্যদিকে পঞ্চগড়-২ আসনে ১১ জন জমা দিয়েছেন। তাঁরা হলেন বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং জামায়াতের সফিউল্লাহ সুফী। এদিকে লক্ষ্মীপুর-১ আসন থেকে সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও দাখিল করেননি। এ আসনে তাঁর ভাই এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম মামুন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। লক্ষ্মীপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া এবং লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম, ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি মো. ইব্রাহিম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় পার্টির মাহমুদুর রহমান মাহমুদ, জামায়াতের মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, ইসলামী আন্দোলনের জাকির হোসেন পাটওয়ারী, এনসিপির মাহবুব আলম এবং লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে বিএনপির এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জেএসডির সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব, জামায়াতের এ আর হাফিজ উল্যাহ, ইসলামী আন্দোলনের খালেদ সাইফুল্লাহ ও খেলাফত মজলিসের আবদুল মতিন প্রমুখ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে ৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন বিএনপির মো. শাহজাহান মিঞা, জামায়াতের মাওলানা কেরামত আলী, জাতীয় পার্টির মোহা. আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আবদুল হালিম, ইসলামী আন্দোলনের মনিরুল ইসলাম, ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো. শামসুল হোদা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মো. আমিনুল ইসলাম, জামায়াতের মু. মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির খুরশিদ আলম বাচ্চু, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. সাদেকুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলনের মো. ইব্রাহিম খলিল এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির মো. হারুনুর রশিদ হারুন, জামায়াতের নূরুল ইসলাম বুলবুল, জেএসডির ফজলুর রহমান খাঁন, ইসলামী আন্দোলনের মো. মনিরুল ইসলাম এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম মনোনয়নপত্র জমা দেন।
ফেনী-২ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন (ভিপি জয়নাল)। ফেনী-৩ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টু, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ছাড়াও জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, বাসদ ও সিপিবির প্রার্থীরা নিজ নিজ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বরগুনা-১ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মশিউর রহমান মিলন, বিএনপি মনোনীত নজরুল ইসলাম মোল্লা, ইসলামী আন্দোলনের মাহমুদুল হাসান অলি উল্লাহ এবং জামায়াতের অধ্যাপক মহিবুল্লাহ হারুন এবং বরগুনা-২ আসনে বিএনপির নুরুল ইসলাম মনি, ইসলামী আন্দোলনের মিজানুর রহমান হাসেমী এবং জামায়াতের ডা. সুলতান আহম্মেদ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
বান্দরবানে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি সাচিং প্রু জেরী, জামায়াতের অ্যাডভোকেট মো. আবুল কালাম, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মো. আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় পার্টির আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ এবং এনসিপির আবু সাঈদ শাহা সুজাউদ্দিন।
কুড়িগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে কুড়িগ্রাম-১-এ প্রার্থী ছয়জন, কুড়িগ্রাম-২-এ নয়জন, কুড়িগ্রাম-৩-এ সাতজন এবং কুড়িগ্রাম-৪-এ আটজন। এ ৩০ জন দলের এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
পিরোজপুরের তিনটি আসনে ১৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে পিরোজপুর-১-এ বিএনপির অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন ও জামায়াতের মাসুদ সাঈদী। পিরোজপুর-২-এ জামায়াতের শামীম সাঈদী এবং বিএনপির আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন।
কক্সবাজারের চারটি আসনে ২৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ২০ জন বিভিন্ন দলের, তিনজন স্বতন্ত্র। কক্সবাজার-১-এ বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। কক্সবাজার-২-এ বিএনপির আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, জামায়াতে ইসলামীর এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। কক্সবাজার-৩-এ বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল, জামায়াতের শহীদুল আলম বাহাদুর। কক্সবাজার-৪-এ বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী, জামায়াতের নুর আহমদ আনোয়ারী প্রমুখ।
নড়াইল-১-এ (কালিয়া-সদরের একাংশ) বিএনপির বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী মাহফুজা বেগম ও ছোট ভাই কালিয়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আসজাদুর রহমান ওরফে মিঠু বিশ্বাস মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। নড়াইল-২-এ (সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম। উভয় আসনে মনোনয়নবঞ্চিত চার নেতাসহ ২৪ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। নাটোরের চারটি আসনে বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পাটি, এনসিপি, এবি পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন দলের ৪২ জন মনোনয়নপত্র তুললেও শেষ পর্যন্ত জমা দিয়েছেন ৩৬ জন। এর মধ্যে নাটোর ১ ও ৩ আসনেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ছয়জন।
চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ১৪৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর আগে ১৬ আসনে ২৩১ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। জয়পুরহাটের দুটি আসনে ১৪ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রাজশাহীর ছয়টি আসনে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সিলেটের ছয়টি আসনে ৪৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে সাতজন বিএনপির ও পাঁচজন জামায়াতের। বিএনপি ও জমিয়ত থেকে স্বতন্ত্রের ব্যানারে একজন করে বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে সিলেট-১-এ ১০ জন, সিলেট-২-এ নয়জন, সিলেট-৩-এ নয়জন, সিলেট-৪-এ সাতজন, সিলেট-৫-এ ছয়জন ও সিলেট-৬-এ ছয়জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মানিকগঞ্জের তিনটি আসনে ৩২ জন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। গতকাল জমা দেন ২৭ জন। মুন্সিগঞ্জের তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ২৩টি। চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে ১১ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এ জেলায় কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই। তবে চুয়াডাঙ্গা-১-এ ইসলামী আন্দোলনের দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মেহেরপুরের দুটি আসনের মধ্যে মেহেরপুর-১-এ নয়জন ও মেহেরপুর-২- তিনজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মাদারীপুরের তিনটি আসনে ২৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নরসিংদী-১-এ বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ নরসিংদীর পাঁচটি আসনে ৪৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। টাঙ্গাইলের আটটি আসনে ৬৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ঝালকাঠির দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২৫ জন। ঝালকাঠি-১-এ ১৫ জন ও ঝালকাঠি-২-এ ১০ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র ছয়জন, বিএনপির দুজন, জামায়াতের দুজন, জাতীয় পার্টির দুজন, ইসলামী আন্দোলনের দুজন, এনসিপির একজন, লেবার পার্টির একজন, জনতা দলের একজন, জেপির দুজন, জাসদের দুজন, গণঅধিকার পরিষদের দুজন, এবি পার্টির একজন। শেরপুরের তিনটি আসনে স্বতন্ত্র মিলিয়ে ১৭ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নোয়াখালীর ছয়টি আসনে বিএনপি, জামায়াত, স্বতন্ত্রসহ ৬২ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। কুড়িগ্রামের চারটি আসনে ৩০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে বিএনপির একজন ও জাতীয় পার্টির একজন বিদ্রোহী রয়েছেন। রাঙামাটি ২৯৯ নম্বর আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিভিন্ন দলের আটজন। খুলনার ছয়টি আসনে ৪৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যশোরের ছয়টি আসনে ৪৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যশোর-১-এ সাতজন, যশোর-২-এ ১১ জন, যশোর-৩-এ ছয়জন, যশোর-৪-এ ১০ জন, যশোর-৫-এ আটজন এবং যশোর-৬-এ পাঁচ জন। যশোর-২ ও ৬ আসনে দুজন প্রার্থী দুটি করে নমিনেশন পেপার দাখিল করেছেন। ঠাকুরগাঁওয়ের তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ২০ জন। সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টির ৪৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। কুমিল্লার ১১টি আসনে ১১৪ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে ৩৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। গোপালগঞ্জ-১-এ ১৩ জন, গোপালগঞ্জ-২-এ ১৪ জন এবং গোপালগঞ্জ-৩-এ ১২ জন। বরিশালের ছয়টি আসনে ৪৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ইউএনও প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) প্রত্যাহার চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে আবেদন করেছেন সংশ্লিষ্ট আসনে বিএনপির প্রার্থী আক্তারুল আলম ফারুক। গতকাল সিইসির কাছে লিখিত অভিযোগে তিনি বলেছেন, ‘ইউএনও মো. আরিফুল ইসলাম এক বছর যাবৎ এ উপজেলায় কর্মরত। তিনি প্রকাশ্যে জামায়াত সমর্থিত অফিসার এবং জামায়াতের লোকজনকে বিভিন্নভাবে প্রকল্প দিয়ে সহযোগিতা করে থাকেন।’
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচার চালাতে পারবেন।
