স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের তিন আদর্শ বাস্তবায়িত হয়নি : মনির হায়দার

অনলাইন ডেস্ক

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেছেন, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে ঘোষিত তিনটি রাষ্ট্রীয় আদর্শ-সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার ৫৪ বছরেও বাংলাদেশে বাস্তবায়িত হয়নি।

রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অডিটোরিয়ামে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে প্রচার প্রচারণা সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মনির হায়দার বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে আমরা বিশ্ববাসীর সামনে অঙ্গীকার করেছিলাম-নতুন রাষ্ট্র হবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের রাষ্ট্র। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে রাষ্ট্র গঠনের পর সংবিধানের মূল নীতিতে সেই তিন আদর্শ সেভাবে প্রতিফলিত হয়নি। এটা ছিল জাতির জন্মলগ্নে ভুল ট্রেনে ওঠা।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে জীবন ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। কিন্তু বাস্তবে কোনো সময়েই প্রত্যেক নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা যায়নি। মানুষের মর্যাদা বারবার ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়নি।

গণভোট প্রসঙ্গে মনির হায়দার বলেন, এটি হঠাৎ করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়। এর পেছনে দীর্ঘ চিন্তাভাবনা ও প্রক্রিয়া রয়েছে। জনগণের মধ্যে যে অস্পষ্টতা রয়েছে, তা দূর করতেই এই আলোচনা। আজ আমরা শুধু বক্তৃতা শুনে চলে যাওয়ার জন্য এখানে আসিনি। আমাদের মধ্যে যেসব বিষয় অস্পষ্ট, সেগুলো পরিষ্কার করব। এরপর প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে মানুষের কাছে সত্যটা পৌঁছে দেব। সাম্য, মানবিক মর্যাদা আর ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্যই এই গণভোটের আয়োজন। এই গণভোটের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার ৫৪ বছরের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন হবে।নিশ্চিত করা যায়নি। মানুষের মর্যাদা বারবার ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়নি।

গণভোট প্রসঙ্গে মনির হায়দার বলেন, এটি হঠাৎ করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়। এর পেছনে দীর্ঘ চিন্তাভাবনা ও প্রক্রিয়া রয়েছে। জনগণের মধ্যে যে অস্পষ্টতা রয়েছে, তা দূর করতেই এই আলোচনা। আজ আমরা শুধু বক্তৃতা শুনে চলে যাওয়ার জন্য এখানে আসিনি। আমাদের মধ্যে যেসব বিষয় অস্পষ্ট, সেগুলো পরিষ্কার করব। এরপর প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে মানুষের কাছে সত্যটা পৌঁছে দেব। সাম্য, মানবিক মর্যাদা আর ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্যই এই গণভোটের আয়োজন। এই গণভোটের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার ৫৪ বছরের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights