হতদরিদ্র মানুষের সেবার জন্যই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ : পার্বত্য মন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, হতদরিদ্র মানুষের সেবার জন্যই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের হতদরিদ্র মানুষের সেবার জন্য ও কল্যাণের জন্যই এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছেন। এখানে দুর্নীতির কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার সকালে লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় আয়োজিত স্থানীয়ভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পার্বত্য মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ বা সরকারি কোনো কাজে কেউ যাতে দুর্নীতির আশ্রয় না নেয়, সেদিকে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করে যাবে। প্রকৃত সুবিধাভোগীরা যাতে তাদের অধিকার পান, তা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
দীপেন দেওয়ান বলেন, মা-বোনদের উন্নয়নের জন্য আমাদের মাতা, মাদার অব ডেমক্রেসি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ব্যাপক কাজ করে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। সেটা যে ধর্মেরই হউক বা বর্ণেরই হউক সবখানেই সম্প্রীতি থাকবে। আমরা সমতার ভিত্তিতে মানুষের কল্যাণে এগিয়ে যাব।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রান্তিক ও হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন এবং বিশেষ করে নারীদের ভাগ্যোন্নয়নে সরকার অতি অল্প সময়ের মধ্যে দেশব্যাপী ১৪টি উপজেলায় ৩৭ হাজার নারীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে দুস্থ পরিবারগুলো আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত ও নিরাপদ জীবনযাপন করতে সক্ষম হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে সমাজের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ভূমিহীন পরিবার, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ, বেদে সম্প্রদায় ও প্রান্তিক কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়তে চায়। বিশেষ করে, নারীদের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে।
