হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ও আজকের বাস্তবতা।
হাসিনা মরিয়ম
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে হঠাৎ কি হলো, বিগত সরকারের সব কীর্তিকলাপ কে ম্লান করে দিয়ে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলো, ফ্রী টেলিফোন, ফ্রী ওয়াইফাই, হেল্প ডেস্ক, কাস্টমার সার্ভিস, দ্রুত ল্যাগেজ প্রদান,ভাল ব্যবহার, ল্যাগেজ ভাঙলে বা কোন কিছু চুরি হলে কর্মীদের বেতন থেকে টাকা কাটা, সবকিছু যেন একটা ফোন কলেই ঠিক করে ফেলেছে, অথচ বিগত দিনগুলোতে আমার ব্যক্তিগত ভাবে তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে, ভালো ব্যবহারতো কেবল ভিআইপিদের জন্য, আমরা বা সাধারণ রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য তো তা অলিক স্বপ্ন,দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা, খারাপ ব্যবহার, সহযোগিতা না করা, এমনকি ল্যাগেজ মিসিং,কোন কোন ক্ষেত্রে ল্যাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র হাতিয়ে
নেয়ার মতো লজ্জাকর ঘটনা ঘটেছে, কেউ কিছু বলার নেই, যে যার মতো যা খুশি করে গেছে, আর আমরা সাধারণ মানুষেরা এই অবস্থার ভুক্তভোগী, কার কাছে বলবো, বললেই উল্টো ঝামেলায় ফেলে দেয়, মানসম্মান রক্ষা করা যেন কষ্টকর হয়ে গেছে, চরম হতাশা নিয়ে একরকম বাধ্য হয়েই মেনে নিতে হয়েছে এই অনিয়মকে, অথচ আজ যেন আমূল পরিবর্তন হয়েছে বিমান বন্দরের,কোন ঘোষণা ছাড়াই, সাংবাদিক সম্মেলন করে নানা রকম গাঁজাখুড়ি গল্প না বলে এক ফোন কলেই
বিমান বন্দরের এই আমূল-পরিবর্তন, আমার প্রশ্নটা এখানেই, এখন কিভাবে সম্ভব হলো,আগে কেন হলো না,উত্তর একটাই, একজন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস স্যার বাংলার মাটিতে একজনই,
উনি এই দেশের সূর্য সন্তান, ওনাদের মতো যারা এই বাংলার মাটিকে আলোকিত করেছেন, বাংলার মানুষেরা ওনাদের পরম মমতায় ও ভালোবাসায় বরন করে নিয়েছে, ওনার দিকে চেয়ে আছে এই দেশের আপামর জনগণ, এই দেশের মানুষ যেন ওনার সঠিক মূল্যায়ন করে এটাই একমাত্র চাওয়া,
বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস স্যার কে…।
