১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে ঝিনাইদহে সহকারী শিক্ষকদের মানববন্ধন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবীতে
ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।
বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে রোববার সকালে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে জেলার
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকবৃন্দের ব্যানারে এ কর্মসূচী পালিত
হয়।
এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অংশ নেয়। সেসময় সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ আবু মাসুদ,
মোহাম্মদ আলী, নজরুল ইসলাম, আলম পারভেজ, আজাদ হোসেনসহ অন্যান্যরা বক্তব্য
রাখেন।
সেসময় বক্তারা, ন্যায্যতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী
শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নে সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান
জানান। দাবী মানা না হলে কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি দেন তারা।
এখনও ফ্যাসিবাদের দোষরদের দখলে ঝিনাইদহ পৌরসভা!
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদ সরকার পাতনের পরো কাঙ্খিত সেবা মিলছে না ঝিনাইদহ
পৌরসভায়। ছাত্র জনতার আন্দোলনের পর নতুন বাংলাদেশে এখনো ঝিনাইদহ পৌরসভার
বহাল তবিয়তে চাকরী করছেন ফ্যাসিবাদের দোষরার। ঝিনাইদহ পৌরসভার সাধারণ
নাগরিকরা মনে করেছিলেন নতুন বাংলাদেশে হয়ত তারা কাঙ্খিত সেবা পাবেন
কিন্তুপৌরসভার নাগরিকরা এখনো সেই সেবা পাচ্ছেন না। সেবা নিতে গিয়ে
এখনো পদে পদে দিতে হচ্ছে ঘুষ আর হতে হচ্ছে হয়রানি। আগের মতই এখনো
সেবা নিতে দিতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এখনো বহাল তবিয়তে চাকরী করছেন চেক জালিয়াতি
মামলার আসামি, নৌকা প্রতিক নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন করা
ঝিনাইদহ পৌর সভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা চাঁদ আলী। এছাড়াও পৌরসভার
নির্বাহী প্রকৌশলী কামালের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও গত ১৫ বছর
ধরেই কিন্তু এখনো আছে বহাল তাবিয়াতে ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইজিবাইক চালক বলেন, গত বছর অতিরিক্ত টাকা দিয়ে
ইজিবাইকের লাইন্সেস করেছি। এই বছর আবার ইজিবাইকের লাইসেন্স করতে গিয়ে
আগের মত ঘুষ দাবি করা হচ্ছে। এই জন্য আর ইজিবাইকের লাইন্সেস করি নি।
রহিম নামের এক বাসিন্দা বলেন, এক হাসিনার পতন হয়ে কোন লাভ নেই। হাসিনার
অনুসারীরা অনেকেই এখনো পৌরসভায় চাকরি করছে। আগের মতই এখনো
সিন্ডিকেট তৈরি করে নাগরিকদের হয়রানি করেই যাচ্ছে। পৌরসভা থেকে
ফ্যাসিবাদের দোসরদের এখনই বিতাড়িত করতে হবে।
এদিকে আনারুজ্জামন আজাদ নামের এক নাগরিক, পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী
কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে গত ১৮ আগস্ট স্থানীয় সরকার
বিভাগের উপ-সচিব বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
