২০৩০ বিশ্বকাপে হামজাদের দেখতে চান আর্জেন্টিনার ক্যানিজিয়া
ক্রীড়া প্রতিবেদক
আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা ফুটবলার ক্লদিও ক্যানিজিয়া বাংলাদেশে এসে দেশের ফুটবল উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলার দারুণ সম্ভাবনাও দেখছেন ১৯৯০ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা এই সাবেক আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। গতকাল স্পোর্টাম্যাজিকা ও ফর্টিস এফসির আমন্ত্রণে ঢাকায় এসে এমন কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এসে ক্যানিজিয়া বলেন, ‘এ দেশের মানুষের আর্জেন্টিনা-ভক্তি তাঁকে মুগ্ধ করেছে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের পর থেকেই বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের উন্মাদনার কথা তিনি জানেন বলেও উল্লেখ করেন। বিশেষ করে বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের মানুষের আবেগ ও উচ্ছ্বাস তাঁকে বিস্মিত করেছে।’
বাংলাদেশের ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদী ক্যানিজিয়া। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, কয়েক বছরের মধ্যেই বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ। আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।’ বাংলাদেশি ফুটবলারদের মধ্যে ইংলিশ ফুটবলে খেলা হামজা চৌধুরীর প্রসঙ্গও আসে। ক্যানিজিয়া বলেন, ইউরোপের শক্তিশালী লিগে খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা অর্জন করা জাতীয় দলের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু হামজা নয়, আরও বাংলাদেশি খেলোয়াড় ইউরোপের বিভিন্ন লিগে খেললে তা দেশের ফুটবলের জন্য বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারে।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব পেলে কী করবেন এমন প্রশ্নে ক্যানিজিয়া বলেন, ‘প্রস্তাব পেলে তিনি অবশ্যই বিষয়টি বিবেচনা করবেন। তবে এখন পর্যন্ত তাঁর কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আসেনি।’ বিশ্বকাপে আগে না খেলা ছোট দেশগুলোর উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশও কেন ভবিষ্যতে বিশ্বকাপে যেতে পারবে না?’ বাংলাদেশে ক্যানিজিয়ার আগমনকে তরুণ ফুটবলারদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন ফর্টিস এফসির সভাপতি শাহিন হাসান। তিনি জানান, ভবিষ্যতে স্কুল টুর্নামেন্ট ও যুব ফুটবল কার্যক্রম আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা ক্যানিজিয়াকে বাংলাদেশে আনার উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তাঁর মতে, ক্যানিজিয়ার মতো কিংবদন্তি ফুটবলার তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন। ইফাদ গ্রুপের সিইও আরিফ জামানও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশের ফুটবলে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
