৩ দফা দাবিতে জবি শিক্ষার্থীদের গণ অনশন
সামিউল ইসলাম সামি, জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর এবং অস্থায়ী আবাসন নির্মাণের দাবিসহ ৩ দফা দাবিতে জবি শিক্ষার্থীদের গণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৮ টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে তারা এই গণ অনশনে বসেন।
শিক্ষার্থীদের ৩ টি দাবি হলো-সেনাবাহিনীর কাছে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ হস্তান্তরের চুক্তি অনতিবিলম্বে স্বাক্ষর করতে হবে; পুরান ঢাকার বাণী ভবন ও ড. হাবিবুর রহমান হলের স্টিল বেইজড ভবনের কাজ দ্রুত শুরু এবং শেষ করতে হবে; যতদিন অব্দি আবাসন ব্যবস্থা না হয় ততদিন পর্যন্ত ৭০% শিক্ষার্থীর আবাসন ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।
দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাদের গণ অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
অনশনে অংশ নেওয়া জাস্টিস ফর জুলাই,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক,সজিবুর রহমান বলেন, “দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর ও অস্থায়ী আবাসন নির্মাণের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক আন্দোলনের পরেও এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন চরম গাফিলতির পরিচয় দিচ্ছে এবং তাদের কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রিতা দেখা দিচ্ছে। জুলাই পরবর্তী সময়ে এসেও চরমে দুর্ভোগে থাকা শিক্ষার্থীদের মৌলিক চাহিদা পূরণে প্রশাসনের এমন অকর্মণ্যতা হতাশাজনক। আমরা অনতিবিলম্বে প্রশাসনকে দ্রুত শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট সমাধানসহ আমাদের ৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য আজকের এই কর্মসূচিতে বসেছি”
ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন,”দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পরিক্রমায় ২০০ একরের ২য় ক্যাম্পাস পাই কিন্তু সেই ক্যাম্পাস বাস্তবায়ন এর অগ্রগতি নেই । আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ক্যাম্পাস এর কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর। গতবছরের নভেম্বরে সচিবালয় ঘেরাও এর মতো কর্মসূচি দিলে সেখান থেকে স্পষ্ট বলা হয় প্রশাসন চাইলে সেনাবাহিনীর হাতে দিতে পারবে কিন্তু ২ মাস হয়ে গেলেও ক্যাম্পাস এর কাজ হস্তান্তর হয় নি । আমরা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা শুনতে চাই না আর । দাবি না মানা পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবো।”
বিষয়ে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড রেজাউল করিম বলেন, ” আমাদের শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের পেছনে আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থীদের দাবি মূলত আমাদের দাবির অংশ।”
