৮ দিনের জন্য মহাকাশে গিয়ে আটকা, থাকতে হতে পারে ২০২৫ সাল পর্যন্ত!

অনলাইন ডেস্ক
চলতি বছরের ৫ জুন দুই মার্কিন নভোচারী আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে একটি পরীক্ষামূলক মিশনের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। কথা ছিল তারা ৮ দিনের মধ্যেই পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। তবে ব্যারি বুচ উইলমোর এবং সুনীতা উইলিয়ামসের সেই যাত্রা পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করেনি। প্রায় দুই মাস ধরে তারা আটকে আছেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে। তাদের এ বছর পৃৃথিবীতে ফেরার সম্ভাবনাও ক্ষীণ।

৬১ বছর বয়সী মি. উইলমোর এবং ৫৮ বছর বয়সী মিস উইলিয়ামস একটি মহাকাশযান বোয়িং স্টারলাইনারে করে মহাকাশ স্টেশনে গিয়েছিলেন। মানুষ নিয়ে এটাই ছিলো এই মহাকাশযানটির প্রথম উড্ডয়ন। মূলত মহাকাশযানটি নিয়মিত ব্যবহারের আগে কেমন কাজ করে তা দেখার জন্য একটি পরীক্ষা মূলক মিশন ছিল এটি।

তবে মহাকাশ স্টেশনের দিকে যাওয়ার সময় এর প্রপালশন সিস্টেমে লিক হয়। কিছু থ্রাস্টার বন্ধ হয়ে যায়। তাই তারা মহাকাশ স্টেশনে নিরাপদে পৌঁছালেও, নিরাপদে পৃথিবীতে ফেরার জন্য স্টারলাইনার এখন নিরাপদ নয়। ফলে আটকে পড়া নভোচারীদের বিকল্প মহাকাশযানে পৃথিবীতে আনতে হবে।
নাসার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। নাসার বাণিজ্যিক ক্র প্রোগ্রামের ব্যবস্থাপক স্টিভ স্টিচ বলেন, “আমাদের মূল কাজ হচ্ছে বুচ ও সুনিকে ফিরিয়ে আনা। তারপরও, আমাদের কাছে অন্যান্য যা বিকল্প আছে সেসব নিশ্চিত করার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা করছি।”

সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে নাসার কর্মকর্তারা জানান, সেপ্টেম্বর মাসে আরেকটি পরিকল্পিত মিশনের সঙ্গে ওই দুজন নভোচারীকেও যুক্ত করা হবে এবং ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওই মিশনের সঙ্গে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। এ মিশনে মহাকাশ স্টেশনে যাওয়ার জন্য একটি স্পেস-এক্স ক্রু ড্রাগন ব্যবহার করা হবে। মিশনটিতে প্রাথমিকভাবে চারজন ক্রু সদস্যের যাওয়ার কথা ছিল। তবে প্রয়োজনে দুটি আসন ফাকা রাখা হবে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, মহাকাশচারীরা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) আট দিনের পরিবর্তে আট মাসেরও বেশি সময় কাটাবেন। যদি ক্রু ড্রাগন ব্যবহৃত হয়, তাহলে স্টারলাইনারটি ক্রু ছাড়াই কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে। অনলাইন ডেস্ক
৮ দিনের জন্য মহাকাশে গিয়ে আটকা, থাকতে হতে পারে ২০২৫ সাল পর্যন্ত!

চলতি বছরের ৫ জুন দুই মার্কিন নভোচারী আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে একটি পরীক্ষামূলক মিশনের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। কথা ছিল তারা ৮ দিনের মধ্যেই পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। তবে ব্যারি বুচ উইলমোর এবং সুনীতা উইলিয়ামসের সেই যাত্রা পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করেনি। প্রায় দুই মাস ধরে তারা আটকে আছেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে। তাদের এ বছর পৃৃথিবীতে ফেরার সম্ভাবনাও ক্ষীণ।

৬১ বছর বয়সী মি. উইলমোর এবং ৫৮ বছর বয়সী মিস উইলিয়ামস একটি মহাকাশযান বোয়িং স্টারলাইনারে করে মহাকাশ স্টেশনে গিয়েছিলেন। মানুষ নিয়ে এটাই ছিলো এই মহাকাশযানটির প্রথম উড্ডয়ন। মূলত মহাকাশযানটি নিয়মিত ব্যবহারের আগে কেমন কাজ করে তা দেখার জন্য একটি পরীক্ষা মূলক মিশন ছিল এটি।

তবে মহাকাশ স্টেশনের দিকে যাওয়ার সময় এর প্রপালশন সিস্টেমে লিক হয়। কিছু থ্রাস্টার বন্ধ হয়ে যায়। তাই তারা মহাকাশ স্টেশনে নিরাপদে পৌঁছালেও, নিরাপদে পৃথিবীতে ফেরার জন্য স্টারলাইনার এখন নিরাপদ নয়। ফলে আটকে পড়া নভোচারীদের বিকল্প মহাকাশযানে পৃথিবীতে আনতে হবে।
নাসার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। নাসার বাণিজ্যিক ক্র প্রোগ্রামের ব্যবস্থাপক স্টিভ স্টিচ বলেন, “আমাদের মূল কাজ হচ্ছে বুচ ও সুনিকে ফিরিয়ে আনা। তারপরও, আমাদের কাছে অন্যান্য যা বিকল্প আছে সেসব নিশ্চিত করার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা করছি।”

সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে নাসার কর্মকর্তারা জানান, সেপ্টেম্বর মাসে আরেকটি পরিকল্পিত মিশনের সঙ্গে ওই দুজন নভোচারীকেও যুক্ত করা হবে এবং ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওই মিশনের সঙ্গে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। এ মিশনে মহাকাশ স্টেশনে যাওয়ার জন্য একটি স্পেস-এক্স ক্রু ড্রাগন ব্যবহার করা হবে। মিশনটিতে প্রাথমিকভাবে চারজন ক্রু সদস্যের যাওয়ার কথা ছিল। তবে প্রয়োজনে দুটি আসন ফাকা রাখা হবে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, মহাকাশচারীরা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) আট দিনের পরিবর্তে আট মাসেরও বেশি সময় কাটাবেন। যদি ক্রু ড্রাগন ব্যবহৃত হয়, তাহলে স্টারলাইনারটি ক্রু ছাড়াই কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights