‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশের অগ্রগতিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়’
অনলাইন ডেস্ক
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় বলে উল্লেখ করেছেন সম্মিলিত নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো কোনো পরাশক্তি বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে ধরনের উন্মুক্ত খেলায় মেতে উঠেছে, তা স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জাজনক। যে কোনো মূল্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষশক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই অপশক্তির তৎপরতার বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে।
শনিবার বিকালে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি ভবনে আয়োজিত “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বৈদেশিক হস্তক্ষেপ” শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সম্মিলিত নাগরিক সমাজের সভাপতি বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় প্রারম্ভিক বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ম. হামিদ।
ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)’র সভাপতি এ কে এম এ হামিদের সঞ্চালনায় আলোচনায় বক্তব্য দেন মুন্সী ফয়েজ আহমদ, নওয়াজেশ আলী খান, জাহাঙ্গীর আলম খান, তৌফিক আহম্মদ চৌধুরী, ইকতিয়ার চৌধুরী, কাশেম হুমায়ুন, ইদরীস আলী, প্রফেসর ড. মাহবুব আলী, ড. খ হসান জলঘল, ড. নিলুফার বানু, বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্জ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিরোধিতা করেছে। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য ৭৪’র দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি ও বঙ্গবন্ধুর সরকারকে নানাভাবে বিপদাপন্ন করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমানেও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে নানান অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। জেনেভা কনভেনশনের রীতিনীতি উপেক্ষা করে কয়েকজন বিদেশি রাষ্ট্রদূত যে ধরনের কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত ভূমিকা রাখছেন, সেটি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’
তারা বলেন, ‘এই শক্তিধররা পৃথিবীর যেখানে গণতন্ত্রের নামে হস্তক্ষেপ করেছে, সেখানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। তারা একদিকে মানবতা ও গণতন্ত্রের ফেরি করে বেড়াচ্ছে, অন্যদিকে গাজায় নিরীহ মানুষ হত্যায় ইসরায়েলকে নিলর্জ্জ সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এই অপশক্তি সফল হলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানবাধিকার হুমকির মুখে পড়বে।
