মৎস্যখাতে আসিয়ানভুক্ত দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে কর্মশালা
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
মৎস্য চাষ ও মৎস্যখাতে আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বৃদ্ধি ও কারিগরি সম্পর্ক উন্নয়নে কর্মশালা শুরু হয়েছে। রবিবার দুপুরে নগরীর একটি হোটেলে ‘টেকসই জলজ চাষের দিকে: অ্যান্টিবায়োটিক স্টুয়ার্ডশিপ, গুড প্র্যাকটিস এবং ক্লাস্টার ফার্মিং বিষয়ে একটি আসিয়ান বাংলাদেশ উদ্যোগ’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।
যৌথভাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর ও আসিয়ান সেক্রেটারিয়েট আয়োজন করেছে। কর্মশালাটি শেষ হবে আগামী ৫ মার্চ। এতে আসিয়ানভুক্ত ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, লাওস, মায়ানমার ও ভিয়েতনাম এই দশটি দেশের বাংলাদেশে নিযুক্ত হাই কমিশনের প্রধান ও আসিয়ান সেক্রেটারিয়েট প্রতিনিধি, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রতিনিধিসহ ২০ জনের প্রতিনিধিদল কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালার গুরুত্ব তুলে ধরে পররাষ্ট্রসচিব রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেন, টেকসই জলজ চাষ ও মৎস্য খাতে সহযোগিতা জোরদার করার জন্য বাংলাদেশ এবং আসিয়ান দেশগুলোর মাঝে সেরা অনুশীলনগুলো ভাগ করে নেওয়াই এ কর্মশালার মূল বিষয়। আশা করা যায়, আসিয়ান এবং বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা তাদের অভিজ্ঞতা এবং সর্বোত্তম অনুশীলনগুলো তুলে ধরবেন। শেষ পর্যন্ত জলজ খাতে বাংলাদেশ এবং আসিয়ানের মধ্যে নতুন সহযোগিতা তৈরির সুপারিশ প্রণয়ন হবে সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করি।
মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আলমগীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম মোস্তফা কামাল, সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূত মিসেস শীলা পিল্লাই, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. জুলফিকার আলী উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি আসিয়ানের একটি বিভাগীয় সংলাপের অংশীদার হওয়ার প্রয়াসে আসিয়ানের সাথে তার ব্যস্ততা আরও বিস্তৃত করার জন্য বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নিয়েছে। এই কর্মশালাটি ফিশারিজ আসিয়ান-ব্যাংলাদেশ সহযোগিতা প্রকল্পের একটি অংশ। যা বাংলাদেশ সরকার দ্বারা অর্থায়ন করা হচ্ছে এবং ৫ মার্চ শেষ হবে কক্সবাজারে। দর্শনীয় স্থান, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট, ময়মনসিংহের ফিসারিজ প্রকল্প ইত্যাদি স্থানগুলো পরিদর্শনের ব্যবস্থাও করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রকল্পের অবশিষ্ট অংশ, একটি প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম এবং সেমিনার, এ বছর জাকার্তায় সংগঠিত হবে।
