বন্যহাতির তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ২০ পরিবারকে বনবিভাগের সহায়তা
রাঙামাটির লংগদুতে বন্যহাতির তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে অর্থ সহায়তা দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ। রবিবার (১০ নভেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোগে লংগদু উপজেলার ভাসান্যাদম ইউনিয়নের একটি ভবনে হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে কার্যকর উপায় বিশ্লেষক শীর্ষক এক সেমিনারের মাধ্যমে ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে চেক প্রদান করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধূরী।রাঙামাটির লংগদু উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা কফিল উদ্দীন মাহমুদের সভাপতিত্বে এতে লংগদু উপজেলার ভাসান্যাদম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হযরত আলী, পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় সহকারি বন কর্মকর্তা শ্যামল কুমার মিত্র, লংগদু উপজেলার পাবলাখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা সজিব কুমার মজুমদার, সুবলং ইউনিয়নের স্টেসন কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম ও রাঙামাটি জার্নালিস্ট নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক ফাতেমা জান্নাত মুমু উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে বক্তরা বলেন, সারা দেশে যেখানে মানুষ দ্বারা হাতির মৃত্যু হচ্ছে, সেখানে পাহাড়ে প্রজনন হচ্ছে হাতির। লংগদুর মানুষরা হাতি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত। কিন্তু হাতির জন্য আন্তরিকতার শেষ নেই এ অঞ্চলের মানুষের। তারা বলেন, রাঙামাটির লংগদুতে শুধু হাতির সুস্থ প্রজনন অব্যাহত রয়েছে। দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে হাতির সংখ্যা। এ অঞ্চলে হাতির আক্রমণে অনেকের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু একটি হাতিরও মৃত্যু হয়নি এখানে। উল্টো এ অঞ্চলের মানুষ অসুস্থ হাতিকে সেবা করে সুস্থ করে তুলেছে। তাই হাতি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিতে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে হাতির বিকল্প নেই। হাতির প্রতি মানুষ একটু সহনশীল হলে হাতির মৃত্যু শূন্যের কোটায় নিয়ে আসা যাবে।
পরে রাঙামাটির লংগদু উপজেলার ভাসান্যাদম এলাকার হাতির দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের চেক তুলেদেন অতিথিরা।
