হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু সিহাব হত্যা মামলায় দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাদেরকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেন আদালত। মঙ্গলবার বিকেলে দায়রা জজ মো. মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিতরা হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার ছোটদাদপুর গ্রামের মো. আফজাল হোসেন ওরফে আবজাল মন্ডলের ছেলে মো. আব্দুল হাকিম ওরফে মো. হাকিম আলী ও জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কর্ণখালি গ্রামের মো. সালেক উদ্দিনের ছেলে মো. সুজন আলী।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি)) আবদুল ওদুদ মামলার বরাত দিয়ে জানান, ২০২০ সালের ৩১ আগস্ট জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার পারতীপুর গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে সিহাব (১৪) চার্জার ভ্যান নিয়ে ভাড়া ধরার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। পরে সিহাব বাড়ি না ফিরলে সিহাব নিখোঁজ মর্মে ১ সেপ্টেম্বর গোমস্তাপুর থানায় সিহাবের পিতা সাধারণ ডায়রি করেন।
এরপর পুলিশ মো. আব্দুল হাকিম ওরফে মো. হাকিম আলী ও মো. সুজন আলীকে গ্রেপ্তার করে। তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করে ৩১ আগস্ট পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মাধাইপুর হতে চার্জারভ্যানটি ভাড়া করে যাতাহারায় নিয়ে যায় তারা এবং ওই দিন রাত ৮টার দিকে শ্বাস রোধ করে সিহাবকে হত্যা করে আখ ক্ষেতে মরদেহ ফেলে রেখে চার্জার ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারের পর তাদের দেখানো মতে পুলিশ সিহাবের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ৩ নং আসামি গোমস্তাপুর উপজেলার কাশিয়াবাড়ি এলাকার মৃত তফের আলীর ছেলে মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে চার্জারভ্যানটিসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোমস্তাপুর থানার তৎকালীর পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর আব্দুল হাকিম, সুজন আলী ও মোয়াজ্জেম হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত আব্দুল হাকিম ও সুজন আলীকে দোষি সাবস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেন এবং অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় মোয়াজ্জেম আলীকে খালাস দেন। পি)) আবদুল ওদুদ মামলার বরাত দিয়ে জানান, ২০২০ সালের ৩১ আগস্ট জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার পারতীপুর গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে সিহাব (১৪) চার্জার ভ্যান নিয়ে ভাড়া ধরার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। পরে সিহাব বাড়ি না ফিরলে সিহাব নিখোঁজ মর্মে ১ সেপ্টেম্বর গোমস্তাপুর থানায় সিহাবের পিতা সাধারণ ডায়রি করেন।
এরপর পুলিশ মো. আব্দুল হাকিম ওরফে মো. হাকিম আলী ও মো. সুজন আলীকে গ্রেপ্তার করে। তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করে ৩১ আগস্ট পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মাধাইপুর হতে চার্জারভ্যানটি ভাড়া করে যাতাহারায় নিয়ে যায় তারা এবং ওই দিন রাত ৮টার দিকে শ্বাস রোধ করে সিহাবকে হত্যা করে আখ ক্ষেতে মরদেহ ফেলে রেখে চার্জার ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারের পর তাদের দেখানো মতে পুলিশ সিহাবের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ৩ নং আসামি গোমস্তাপুর উপজেলার কাশিয়াবাড়ি এলাকার মৃত তফের আলীর ছেলে মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে চার্জারভ্যানটিসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোমস্তাপুর থানার তৎকালীর পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর আব্দুল হাকিম, সুজন আলী ও মোয়াজ্জেম হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত আব্দুল হাকিম ও সুজন আলীকে দোষি সাবস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেন এবং অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় মোয়াজ্জেম আলীকে খালাস দেন। র গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে সিহাব (১৪) চার্জার ভ্যান নিয়ে ভাড়া ধরার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। পরে সিহাব বাড়ি না ফিরলে সিহাব নিখোঁজ মর্মে ১ সেপ্টেম্বর গোমস্তাপুর থানায় সিহাবের পিতা সাধারণ ডায়রি করেন।
এরপর পুলিশ মো. আব্দুল হাকিম ওরফে মো. হাকিম আলী ও মো. সুজন আলীকে গ্রেপ্তার করে। তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করে ৩১ আগস্ট পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মাধাইপুর হতে চার্জারভ্যানটি ভাড়া করে যাতাহারায় নিয়ে যায় তারা এবং ওই দিন রাত ৮টার দিকে শ্বাস রোধ করে সিহাবকে হত্যা করে আখ ক্ষেতে মরদেহ ফেলে রেখে চার্জার ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারের পর তাদের দেখানো মতে পুলিশ সিহাবের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ৩ নং আসামি গোমস্তাপুর উপজেলার কাশিয়াবাড়ি এলাকার মৃত তফের আলীর ছেলে মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে চার্জারভ্যানটিসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোমস্তাপুর থানার তৎকালীর পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর আব্দুল হাকিম, সুজন আলী ও মোয়াজ্জেম হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত আব্দুল হাকিম ও সুজন আলীকে দোষি সাবস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেন এবং অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় মোয়াজ্জেম আলীকে খালাস দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights