৪ নং ওয়ার্ডে সবার মুখে আমরা সবাই এক জোট আলহাজ্ব কাজী আতাউর রহমানকে দেব ভোট

আসন্ন গাজীপুর সিটিকর্পোরেশন নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে কে? এই প্রশ্নে সকলের মুখে একটা নাম বেরিয়ে আসে, সেই নামটি হলো আলহাজ্ব কাজী মোঃ আতাউর রহমান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবসায়ী বলেন, ইতিমধ্যে আলহাজ্ব কাজী মোঃ আতাউর রহমান সকলের কাছ থেকে একটি উপাধী কুড়িয়ে নিয়েছেন, সেটি হলো সৎ,সাহসী, ন্যায় বিচারক ও গরীবের বন্ধু।
চায়ের দোকান থেকে শুরু করে মসজিদের মিম্বার পর্যন্ত সব জায়গায় একটি আলোচনা, এবারের নির্বাচন আগের মতো সহজ হবে না। মানুষ এবার হিসাব নিকাশ করে যোগ্য প্রার্থী আলহাজ্ব কাজী মোঃ আতাউর রহমান কে বেছে নেবে। চায়ের আড্ডায় বসে লোকেরা আলোচনা করে, এবার আমরা এমন প্রার্থী কে ভোট দিব , যাকে সব সময় আপদ বিপদে পাশে পাওয়া যায়।
ইতিমধ্যে আসন্ন গাজীপুর সিটিকর্পোরেশনের নির্বাচনকে সামনে রেখে, এলাকার প্রত্যেক মানুষের সাথে পরামর্শ, দেখা সাক্ষাৎ, কৌশল বিনিময়,আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। কাজী মোঃ আতাউর রহমান সবার কাছে একটি আবেদনই করেন ২০১৩ সালে সিটিকর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর, আপনারা দুই জনকে কাউন্সিল বানিয়ে পরীক্ষা নিয়ে দেখেছেন। এবার আমাকে সুযোগ দিয়ে দেখুন। আমি আপনাদের ভাই, আপনাদের সন্তান, আমার দ্বারা যে কোন কাজ সহজে করিয়ে নিতে পারবেন।
ইতিমধ্যে আলহাজ্ব কাজী মোঃ আতাউর রহমান বিভিন্ন পাড়া, মহল্লায় উঠান বৈঠক করেন।

কাজী মার্কেট অঞ্চলের উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি ছাত্র জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতি করে আসছি। আমি যুবলীগের রাজনীতি করেছি। কাশিমপুর মেট্রো থানা যুবলীগের সভাপতি পদ প্রার্থী ছিলাম। আমাদের প্রিয় লিডার গাজীপুর -১ আসনের এমপি, মুক্তি যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাডঃ আলহাজ্ব আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক সাহেবের আর্শীবাদ পুষ্ট হয়ে, আপনাদের দোওয়ায় ৪ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি।
আলহাজ্ব কাজী মোঃ আতাউর রহমান বলেন, আপনারা আমার কাছে যখন যেই বিষয়ে নিয়ে এসেছেন, আমি আমার সাধ্য মতো আপনাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। আল্লাহ চাহেতো কেউ বলতে পারবেন না, আমার কাছে আসার পর কোন সহযোগিতা পাননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাজী মার্কেট মসজিদের একজন মুসল্লী বলেন, আলহাজ্ব কাজী মোঃ আতাউর রহমান এমন একজন ব্যক্তীর নাম, যিনি সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তিনি বলেন, আমার দোকানের সামনে একবার ২০১৪ সালের দিকে মেলা বসে। মেলায় চলছিল, প্রচন্ড আকারে গান, নাচ, জুয়া এবং মদের আড্ডা। আমরা মসজিদের ইমাম সাহেব মুসল্লীরা এবং তৌহিদী জনতা বাধা দিলাম। আমাদের আসস্ত করলেও কর্তৃপক্ষ মেলা বন্ধ করেনি। অবশেষে আমরা সবাই ঐক্য বদ্ধ হয়ে আলহাজ্ব কাজী মোঃ আতাউর রহমান এর নিকট যাই। তিনি বললেন, ঠিক আছে আপনারা আমার সাথে চলুন। পবিত্র জুমার নামাজ শেষে কাজী সাহেব এর নেতৃত্বে মেলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করলাম। মেলা কর্তৃপক্ষ সময় চাইলেন। সেই দিন কাজী সাহেব বললেন, আমরা মুসলমান, বাংলাদেশ মুসলিম দেশ,অথচ আপনারা মসজিদের পাশে কিভাবে মেলা বসালেন? আপনারাতো মুসলমানের ঘরে জন্ম গ্রহণ করেছেন? আপনাদের আর একমুহূর্ত সময় দেওয়া যাবে না। এখই মেলা বন্ধ করূন। সেই দিনের কথা আমি কোন ভাবেই ভুলতে পারবো না। কাজী সাহেবের ভূমিকার কারণে মেলা বন্ধ হল।

এই এলাকায় অধিকাংশ মানুষ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে ব্যবসা-বানিজ্য, চাকুরী- বাকরী করে জমি- জমা কিনে বসতি স্থাপন করেছেন। হাজী মার্কেট অঞ্চলের একদল মানুষ এসে জানান, আমরা বহিরাগত মানুষ, আমাদের পায়ে হাঁটার পথ চলাচলের রাস্তা এলাকার প্রভাশালী গেধু রাজ বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা অভিযোগ জানানোর সাথে সাথে, আমাদের সাথে গিয়ে চলাচলের পথ খলে দেন এবং নিজ অর্থায়নে বালি ফেলে মানুষের চলাচলের উপযোগী করে দেন।
আরও একজন বহিরাগত ব্যক্তি “মুক্ত বলাকা ” কে বলেন, আমার রাস্তা সংলগ্ন ১০ শতাংশ জমি, আমার বৈধ ক্রয় কৃত জমি। প্রভাবশালী মহলের কারণে আমার জমিতে কোন প্রকার উন্নয়ন মূলক করতে পারছিলাম না। থানায় অভিযোগ করেও কোন ফল পাইনি। অবশেষে আমি কাজী সাহেব এর নিকট অভিযোগ করলে, তিনি আমাকে সাথে নিয়ে জমিতে এসে বলেন, এই লোক আমার ভাই, সে তার জমিতে কাজ করবে, কেউ যেন তাঁকে দূর্বল না ভাবে,সে তার জমিতে কাজ করে যাবে।
ভুঁইয়া পাড়া অঞ্চলের একদল মানুষ “মুক্ত বলাকা ” কে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন পানি বন্দী ছিলাম। আমাদের রান্না খাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই ২০১৬ সালের কথা আমরা কিছুতই ভুলবো না, আমরা ছিলাম পানি বন্দী ছিলাম, কেউই আমাদের কোন খোঁজ খবর নেইনি। এই কাজী সাহেব নিজে পানিতে নেমে, নিটেক্স প্যাকটরীর বাউন্ডারি ভেঙে পানির লাইন করে, আমাদের পানি বন্দী থেকে মুক্ত করেন।
প্রায়ত কাউন্সিলর মরহুম রফিকুল ইসলাম রফিক সাহেবের আপন জেঠাতো ভাই কামাল হোসেন বলেন, আমার ভাই মৃত্যু কালে কাজী সাহেবের নিকট ১৬ লক্ষ টাকা ঋণ রেখে যান। কাজী সাহেব আমার ভাইয়ের মৃত্যুর পর মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সামনে২১ লক্ষ টাকার মধ্যে ১৬ লক্ষ টাকা মাপ করে দেন। আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
কাজী সাহেব বলেন আল্লাহর রহমতে, আমি যদি এবার নির্বাচীত হতে, গাজীপুর মহানগরের ৫৭ টি ওয়ার্ডের মধ্যে আমি ৪ নং ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ ও মডেল ওয়ার্ডে পরিনত করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights