ট্রু প্রমিজ-৪: ৫৬তম দফায় মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি হামলা
অনলাইন ডেস্ক
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস-৪’-এর ৫৬তম দফার বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেছে। এই দফায় ইসরায়েলের কৌশলগত সামরিক অবকাঠামো, রাফায়েল ক্ষেপণাস্ত্র মজুত কেন্দ্র এবং কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট হামলা চালানো হয়েছে বলে আইআরজিসি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে।
শহীদ কাসেম সোলেইমানি এবং দেশের সুরক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী যোদ্ধাদের স্মরণে এই অভিযান উৎসর্গ করা হয়েছে। আইআরজিসি জানিয়েছে, খোররামশাহর-৪, এমাদ এবং গদরের মতো অত্যাধুনিক ও নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদে সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরায়েলের সাউদার্ন রিজিয়ন সাপোর্ট কমান্ড এবং উত্তর দখলকৃত অঞ্চলের রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে আঘাত হানা হয়েছে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি লক্ষ্যবস্তু অত্যন্ত নির্ভুলতার সাথে ধ্বংস করা হয়েছে।
একই সময়ে আঞ্চলিক উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে আইআরজিসি তাদের ড্রোন ইউনিট ব্যবহার করে ইরাকের এরবিলে কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর অবস্থানেও আক্রমণ চালিয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, এই বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করে মার্কিন ও ইসরায়েলি পক্ষ ইরানে স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে, যার প্রতিক্রিয়ায় এই ত্বরিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ৫৫তম দফার অভিযানে ইসরায়েলি অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (আইএআই), সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমান ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছিল ইরান।
খাতাম আল-আমবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক এই আক্রমণগুলোর ফলে মার্কিন বিমান ঘাঁটিগুলোর ৮০ শতাংশেরও বেশি রাডার এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা অকেজো হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে আল-ধাফরা ঘাঁটিতে ব্যাপক বিস্ফোরণের ফলে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিতে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সূত্র: আল মায়াদিন
