মেঠোপথ ছেয়েছে কৃষ্ণচূড়ায়

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

গ্রীষ্মের তপ্ত রোদে জনজীবন অতিষ্ঠ। চারদিক যেন নিপ্রাণ। তবে এর মধ্যেই সবুজ পাতার ডগায় উজ্জ্বল লাল ফুল কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতিতে এনেছে ভিন্ন এক আমেজ। কুয়াকাটা মহাসড়কে ক্ষণে ক্ষণে দেখা মিলছে এ ফুলের। এর বাইরেও কলাপাড়া পৌরসভা চত্বরসহ উপজেলার গ্রামীণ মেঠোপথের দুই ধারে এখন শোভা পাচ্ছে লাল টুকটুকে কৃষ্ণচূড়া ফুলে। দূর থেকে তাকালে মনে হয় বৈশাখের প্রখর রোদ্দুরের সবটুকু উত্তাপ গায়ে মেখে নিয়েছে রক্তিম পুষ্পরাজি। সবুজ চিরল পাতার মাঝে লাল হয়ে জ্বলছে আগুন। ঠিক যেন রং তুলিতে আঁকা শিল্পীর ছবির মতো। এমন সৌন্দর্য উপভোগ করছেন পর্যটকসহ পথচারীরা।

স্থানীয়রা জানান, কৃষ্ণচূড়া ফুল এই গরমে প্রকৃতিকে ভিন্ন সাজে সাজিয়েছে। এর রূপ সব শ্রেণির, সব বয়সের মানুষকে মুগ্ধ করে। সবুজের মধ্যে রক্তাক্ত লাল ফুল মন ভালো করে দেয়। পথে-প্রান্তরে এবার অসংখ্য কৃষ্ণচূড়া গাছে ফুল এসেছে। কড়া রোদে অথবা বৃষ্টির পর রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশে এই ফুল আরও রূপ মেলে ধরবে। দর্শনার্থীরা জানান, তারা যতবার দেখেন ততবারই কৃষ্ণচূড়ার এমন সমারোহের দৃশ্যে মুগ্ধ হন। উদ্ভিদবিদরা বলছেন, কৃষ্ণচূড়া গাছের আরেক নাম গুলমোহর, যা কম লোকই জানেন। কিন্তু সবার কাছে এ গাছ কৃষ্ণচূড়া নামে পরিচিত। এটি একটি বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ। যার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। কৃষ্ণচূড়া তিনটি রঙের হয়।

যেমন লাল, হলুদ ও সাদা। লাল ও হলদে প্রজাতির কৃষ্ণচূড়ার গাছ অনেক জায়গাতেই দেখা যায়। তবে সাদা রঙের কৃষ্ণচূড়া অতি দুপ্রাপ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights