আফ্রিকানদের জয়জয়কার
বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আসরের গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ। ৩২টি দল তাদের টিকিট কেটেছে প্রথম নকআউট (রাউন্ড অব ৩২)-এর জন্য। যেখানে এবার নতুন বার্তা নিয়ে এলো আফ্রিকানরা। ইউরোপ-লাতিন আমেরিকার সনাতনী আধিপত্যকে চোখ রাঙিয়ে বড় গর্জন ছেড়েছে আফ্রিকানরা। গ্রুপ পর্বে দারুণ লড়াই উপহার দিয়ে নকআউটে আফ্রিকার ‘সুপার ঈগল’ আর ব্ল্যাক স্টার্সদের এবারের আসরে জয়জয়কার। মহাদেশটির কনফেডারেশন (কাফ) থেকে এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ১০টি দেশের মধ্যে ৯টি দেশই পা রেখেছে শেষ ৩২-এ। দেশগুলো হলো মরক্কো, দক্ষিণ আফ্রিকা, আইভরি কোস্ট, মিসর, কেপ ভার্দে, সেনেগাল, ঘানা, আলজেরিয়া এবং ডিআর কঙ্গো। তিউনিসিয়া ছাড়া আর কোনো আফ্রিকান দেশ গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয়নি। আফ্রিকান ফুটবলের ইতিহাসে যা অবিস্মরণীয় এবং সেরা সাফল্য। এর মধ্যে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বের স্বাদ পেয়েছে নবাগত বিস্ময় কেপ ভার্দে, ডিআর কঙ্গো, মিসর এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। আর দীর্ঘ এক যুগ (২০১৪ সাল) পর নকআউট নিশ্চিত করে দারুণ প্রত্যাবর্তন করেছে আলজেরিয়া। অন্যদিকে ইউরোপের (উয়েফা) ১৬টি থেকে ১৩টি, লাতিন আমেরিকার (কম্বেল) ৬টি থেকে ৫টি, উত্তর আমেরিকার (কনকাকাফ) ৬টি থেকে ৩টি এবং এশিয়ার (এএফসি) ৯টি দেশ থেকে টিকে আছে মাত্র দুটি দেশ- জাপান ও অস্ট্রেলিয়া। এবারের আসরে আফ্রিকান দলগুলোর পারফরম্যান্স ছিল এককথায় চোখধাঁধানো। কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো এবারও তাদের চেনা ছন্দ ধরে রেখেছে অপরাজিতভাবে নকআউটে এসেছে। কিন্তু পাদপ্রদীপের সব আলো এবার কেড়ে নিয়েছে পুচকে কেপ ভার্দে। অভিষিক্ত আসরেই চমকে দিয়েছে তারা। ফুটবল মানচিত্রের এই ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রটি দুই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন, উরুগুয়ে এবং সৌদি আরবের মতো ‘গ্রুপ অব ডেথ’ থেকে কোনো ম্যাচ হারেনি। তিন ড্রয়ে রূপকথার মতো প্রথমবারের অংশগ্রহণেই নকআউট নিশ্চিত করেছে। ১৯৯৮ সালের পর কোনো ম্যাচ না জিতেও নকআউটে ওঠার এক অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়ল নবাগত কেপ ভার্দে। ইতিহাসের পাতায় নিজেদের নাম নতুন করে লিখেছে ডিআর কঙ্গো এবং দক্ষিণ আফ্রিকাও। উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের স্বাদ পাওয়ার পাশাপাশি প্রথমবার শেষ ৩২-এ পা রাখল কঙ্গো। অন্যদিকে মেক্সিকোর কাছে হেরে বিশ্বকাপ শুরু করা দক্ষিণ আফ্রিকা ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাঘের মতো; দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে স্তব্ধ করে দিয়ে ‘বাফানা বাফানা’রা মেতেছে প্রথমবার নকআউটে ওঠার উল্লাসে। ইতিহাস গড়ে নকআউটে উঠেছে মোহাম্মদ সালাহর মিসর ও আলজেরিয়াও। সঙ্গে সেনেগাল, ঘানা আর আইভরি কোস্টেও মতো চেনা পরাশক্তিরা তো আছেই। গতি, শক্তি আর নিখুঁত ফুটবলের পসরা সাজিয়ে আফ্রিকার এই শক্তিরা যেন জানান দিচ্ছে ফুটবল আর নির্দিষ্ট কোনো মহাদেশের সম্পত্তি নয়। ফলে রাউন্ড অব ৩২-এর লড়াইয়ে তাই এখন আফ্রিকানদের রোমাঞ্চের অপেক্ষায়।এবারও তাদের চেনা ছন্দ ধরে রেখেছে অপরাজিতভাবে নকআউটে এসেছে। কিন্তু পাদপ্রদীপের সব আলো এবার কেড়ে নিয়েছে পুচকে কেপ ভার্দে। অভিষিক্ত আসরেই চমকে দিয়েছে তারা। ফুটবল মানচিত্রের এই ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রটি দুই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন, উরুগুয়ে এবং সৌদি আরবের মতো ‘গ্রুপ অব ডেথ’ থেকে কোনো ম্যাচ হারেনি। তিন ড্রয়ে রূপকথার মতো প্রথমবারের অংশগ্রহণেই নকআউট নিশ্চিত করেছে। ১৯৯৮ সালের পর কোনো ম্যাচ না জিতেও নকআউটে ওঠার এক অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়ল নবাগত কেপ ভার্দে। ইতিহাসের পাতায় নিজেদের নাম নতুন করে লিখেছে ডিআর কঙ্গো এবং দক্ষিণ আফ্রিকাও। উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের স্বাদ পাওয়ার পাশাপাশি প্রথমবার শেষ ৩২-এ পা রাখল কঙ্গো। অন্যদিকে মেক্সিকোর কাছে হেরে বিশ্বকাপ শুরু করা দক্ষিণ আফ্রিকা ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাঘের মতো; দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে স্তব্ধ করে দিয়ে ‘বাফানা বাফানা’রা মেতেছে প্রথমবার নকআউটে ওঠার উল্লাসে। ইতিহাস গড়ে নকআউটে উঠেছে মোহাম্মদ সালাহর মিসর ও আলজেরিয়াও। সঙ্গে সেনেগাল, ঘানা আর আইভরি কোস্টেও মতো চেনা পরাশক্তিরা তো আছেই। গতি, শক্তি আর নিখুঁত ফুটবলের পসরা সাজিয়ে আফ্রিকার এই শক্তিরা যেন জানান দিচ্ছে ফুটবল আর নির্দিষ্ট কোনো মহাদেশের সম্পত্তি নয়। ফলে রাউন্ড অব ৩২-এর লড়াইয়ে তাই এখন আফ্রিকানদের রোমাঞ্চের অপেক্ষায়।
