‘সন্তানের কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত’ প্রতিযোগিতায় নগদ উদ্যোক্তাদের ৯ সন্তান বিজয়ী
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
নগদ ইসলামিকের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সন্তানের কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত’ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে সারাদেশের ১০টি অঞ্চল থেকে নির্বাচিত প্রতিযোগীদের মধ্যে ৯ জন বিজয়ী হয়েছেন।
সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতায় প্রায় তিন হাজার প্রতিযোগী অংশ নেন। বাছাই শেষে ৩০ জন প্রতিযোগী গ্র্যান্ড ফিনালে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ। এ ছাড়া সহযোগী প্রশাসক আনোয়ার উল্লাহ, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহিন সারওয়ার ভূঁইয়া, চিফ বিজনেস সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস অ্যাসিউরেন্স অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. কাওসার সওকত আলী, হেড অব মার্কেটিং হেরাস উদ্দিন মুহাম্মদ মেহেদী সাজ্জাদসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতার বিচারক ছিলেন বনানী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, ইসলামী আলোচক মাওলানা গাজী সানাউল্লাহ রাহমানী, আলহাজ মাওলানা হাফেজ কাজী মারুফ বিল্লাহ এবং নগদ ইসলামিক শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতী।
গ্র্যান্ড ফিনালে তিনটি বয়সভিত্তিক বিভাগে সেরা তিনজন করে মোট নয়জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীরা যথাক্রমে ৫০ হাজার ১ টাকা, ৩০ হাজার ১ টাকা এবং ২০ হাজার ১ টাকা, ক্রেস্ট ও সনদপত্র পান। এছাড়া চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়া ৩০ জন প্রতিযোগীর প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা, সম্মাননা সনদ এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে নির্বাচিত আরও ৬০ জনকে বিশেষ সনদ দেওয়া হয়।
প্রতিযোগীদের মূল্যায়নে শুদ্ধ মাখরাজ, তাজবিদ অনুসরণ, তিলাওয়াতের শুদ্ধতা, কণ্ঠের সৌন্দর্য ও সামগ্রিক পরিবেশনা বিবেচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, ভবিষ্যতে মাদ্রাসা থেকে পাস করা ছয়জনকে টেরিটরি ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতী বলেন, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত শেখানো এবং নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে এ প্রতিযোগিতার পরিসর আরও বাড়ানো হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
