ডারউইনের উইকেটে কি অস্ট্রেলিয়াকে চমকে দিতে পারবে বাংলাদেশ?
স্পোর্টস ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা সাধারণত গতি ও বাউন্স সামলানো। তবে ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে সেই চ্যালেঞ্জ কিছুটা কম হতে পারে বলে আশাবাদী বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টের আগে কিউরেটর জ্যাক পাভলিচ জানিয়েছেন, উইকেটটি ব্যাটার ও বোলার উভয় পক্ষকেই সহায়তা করবে।
পাভলিচের ভাষ্য অনুযায়ী, মারারার উইকেটে রান করার যথেষ্ট সুযোগ থাকবে। একই সঙ্গে সঠিক জায়গায় বল করতে পারলে বোলাররাও সহায়তা পাবেন। ফলে গ্যাবা বা পার্থের মতো অতিরিক্ত বাউন্সের মুখোমুখি নাও হতে পারে বাংলাদেশের ব্যাটাররা।
ডারউইনের তীব্র রোদও বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হয়ে উঠতে পারে। ম্যাচ যত গড়াবে, শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে উইকেট স্পিনারদের জন্য কিছুটা সহায়ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
তবে ম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশের মূল ভরসা থাকবে পেসারদের ওপর। চোটের কারণে নাহিদ রানা নেই, প্রথম টেস্টে খেলছেন না শরীফুল ইসলামও। ফলে তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদের ওপর থাকবে নতুন বলের বড় দায়িত্ব।
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি হতে পারেন ট্রাভিস হেড। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তোলার পাশাপাশি তার সঙ্গে থাকছেন মারনাস লাবুশেন ও স্টিভেন স্মিথের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটার। তাদের থামাতে বাংলাদেশের বোলারদের শুরু থেকেই নিখুঁত হতে হবে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের ব্যাটারদের সামনে অপেক্ষা করছে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী পেস আক্রমণ। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডের বিপক্ষে নতুন বল সামলে ভালো শুরু করাই হতে পারে ম্যাচে টিকে থাকার অন্যতম চাবিকাঠি।
বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচ আশিকুর রহমান মজুমদার জানিয়েছেন, দল মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং মাঠে লড়াই করতে আত্মবিশ্বাসী। অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেডও বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন।
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের একাদশ ম্যাচের একদিন আগেই ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। দলে রাখা হয়েছে অভিজ্ঞ পেস ত্রয়ী কামিন্স, স্টার্ক ও হ্যাজলউডকে। একাদশে ফিরেছেন ক্যামেরন গ্রিনও।
অস্ট্রেলিয়ার একাদশ: জেক ওয়েদারাল্ড, ট্রাভিস হেড, মারনাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), বেউ ওয়েবস্টার, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজলউড।
