বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে আইইউবিএটির স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়
অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের বস্তির শিশুদের জন্য স্কুল তৈরি করেছেন কয়েকজন বন্ধু। তাদের কেউ নিয়মিত, আবার কেউ পালা করে সেখানে ক্লাস নেন। অবহেলিত শিশুদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে পাঠদানের অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে তাদের চোখেমুখে ফুটে ওঠে আনন্দের ঝিলিক। আগ্রহ নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমের নানা অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও জানান তারা।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর বসুন্ধরা শুভসংঘ কার্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির (আইইউবিএটি) কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীর সঙ্গে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামানের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রধান ও কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাদেকুল ইসলাম।
এ সময় দীপ্ত পাল, নাফিজ হাসান, আতাউর রহমান, অপূর্ব দাস, রায়হান, মিঠিয়া ফারজানা, মাইশা সরকার, আলিমা তাজ, মাহাজাবিন, হায়াতুন নাহার ছোঁয়াসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়। একই সঙ্গে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
ইমদাদুল হক মিলন বলেন, সমাজ উন্নয়নে স্বেচ্ছাসেবার ভূমিকা অপরিসীম। মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে তরুণদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার বিকল্প নেই। দেশ ও সমাজের কল্যাণে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান বলেন, তরুণদের সমাজসেবামূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করতে বসুন্ধরা শুভসংঘ সব সময় কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক উদ্যোগ একটি মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাদেকুল ইসলাম বলেন, স্বেচ্ছাসেবা শুধু একটি কার্যক্রম নয়, এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। তরুণদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সমাজের নানা সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব।
