উলিপুরে মাদ্রাসায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের উলিপুরে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামি হৃদয় হাসান ওরফে রাকিবকে (১৯) ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। গত ৩০ জুন কাজির মসজিদ হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ওই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে রাকিবের বিরুদ্ধে। এ মামলায় মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধেও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এসআরবির সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) (ভারপ্রাপ্ত) মুহম্মদ মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১৩, রংপুরের সদর কোম্পানি এবং এসআরবি-৪, সিপিসি-২, মিরপুর ক্যাম্পের যৌথ দল ঢাকার দারুস সালাম থানাধীন ডেলটা হাসপাতালের সামনে অভিযান চালিয়ে রাকিবকে গ্রেপ্তার করে। তিনি কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার নন্দুনেফড়া গ্রামের রানু মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরীর সঙ্গে রাকিবের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৩০ জুন দেখা করার কথা বলে রাকিব তাঁকে কাজির মসজিদ হাফিজিয়া মাদ্রাসায় যেতে বলেন। সেখানে রাত ২টার দিকে মাদ্রাসার শিক্ষক ও মামলার অপর আসামি শহিদুল ইসলাম ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই সময় চিৎকার শুনে রাকিব সেখানে উপস্থিত হন। পরে তিনি ওই কিশোরীকে মাদ্রাসার অন্য একটি কক্ষে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কিশোরীর দাদা বাদী হয়ে উলিপুর থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।
গ্রেপ্তারের পর রাকিবকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
