শেহজাদের ব্যাটে-বলে নৈপুণ্যে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সের বড় জয়
অনলাইন ডেস্ক
ব্যাট হাতে ঝড় তোলার পর বল হাতেও রাখলেন অবদান। শেহজাদ আকবর সোবহানের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ঢাকা প্লেয়ার্স ক্রিকেট ক্লাবকে (ডিপিসিসি) ৮৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন শেহজাদ।
শুক্রবার এবিজি স্পোর্টস সিটির আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে শেহজাদের ৭৭ রানের ইনিংসে ভর করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৩১ রান তোলে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৮ রানে গুটিয়ে যায় ডিপিসিসি।
ফ্রস্ট ব্লাস্ট টি-টোয়েন্টি করপোরেট ক্রিকেটের তৃতীয় আসরে আগের তিন ম্যাচে মিডল অর্ডারে ব্যাটিং করলেও আজ ওপেনিংয়ে নামেন শেহজাদ। শুরু থেকেই ছিলেন আত্মবিশ্বাসী।
চার-ছক্কার ফুলঝুরিতে প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর চড়াও হন তিনি। ৫২ বলে ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭৭ রান করে ফেরেন এই ব্যাটার। ২৭ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর দলের ইনিংস সামলানোর পাশাপাশি বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন তিনি। তার বিদায়ের সময় বসুন্ধরার রান ছিল ১১৬।
শেহজাদ ফেরার পর মাঈন ১৪, লাজিম ৫ ও শোভন ১১ রান করে আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে বসুন্ধরা। তবে শেষ দিকে সেই চাপ সামাল দেন অন্তু ও সুমন আহমেদ। দুজনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ পায় দলটি। মাত্র ১৯ বলে ৩টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৫৫ রান করেন অন্তু।
অন্যদিকে, আরও বিধ্বংসী ছিলেন সুমন আহমেদ। মাত্র ১২ বলে ৪টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৪৩ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাপস ঘোষ ২ বলে ৭ রান করে অপরাজিত থাকেন।
ডিপিসিসির হয়ে ৩৪ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন মিঠুন। রাশেদ আলম, জিশান, ড্যানিশ ও রকি একটি করে উইকেট শিকার করেন।
২৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করেছিল ডিপিসিসি। উদ্বোধনী জুটিতে মিঠুন ও সালমান আজিম যোগ করেন ৭৭ রান। ৩০ বলে ৮টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫০ রান করে মিঠুন ফিরলেও সালমান খেলেন ৩৭ বলে ৫টি চারে ৩৯ রানের ইনিংস। তবে এই জুটি ভাঙার পর আর সেভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দলটি। তানভীর আহমেদ ২৪ বলে ২১ রান করলেও বাকিরা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৮ রানেই থামে তাদের ইনিংস।
ব্যাট হাতে ঝড় তোলার পর বল হাতেও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন শেহজাদ। ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে নিয়েছেন একটি উইকেট। তবে বল হাতে বসুন্ধরার সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন সুমন আহমেদ। মাত্র ১ ওভারে ৫ রান খরচায় ২ উইকেট নেন তিনি।
