দুই ফাইনালিস্টের ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু

অনলাইন ডেস্ক

ভারতের মাটিতে আজ মাঠে গড়াচ্ছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর আইসিসি বিশ্বকাপ। ৫০ ওভারের এ আসরে অংশ নিচ্ছে ক্রিকেট বিশ্বের সেরা ১০ দল। প্রতিটি দলই স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামছে। কারও স্বপ্ন শিরোপা, কারও সেমিফাইনাল, কোনো দল আবার আগের চেয়ে বেশি জয় পেলেই যেন মহাখুশি!

গত বিশ্বকাপটি যেখানে শেষ হয়েছিল, আজ ঠিক সেখান থেকেই শুরু হচ্ছে আরেকটি আসর। প্রথম ম্যাচেই যে মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ফাইনালের জন্ম দেওয়া ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড। ‘টাই’ হওয়ার পর সুপার ওভারেও দুই দলের রান সমান হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বেশি বাউন্ডারি মারার হিসাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ইংলিশদের হারিয়ে আগেরবারের জ্বালা জুড়িয়ে নিতে চাইবে অন্যতম ফেভারিট কিইউরা। পর পর দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা নিউজিল্যান্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ফেভারিটের মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য।

বিশ্বকাপের প্রথম দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্রিকেটের একসময়কার মহাপরাক্রমশালী দলটি এবারের বিশ্বকাপে নেই। দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে বাইরে রেখে আজ মাঠে গড়াচ্ছে ১০ জাতির ক্রিকেট মহাযজ্ঞ। বিশ্বকাপে নেই জিম্বাবুয়েও। জশ বাটলারের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ খেলছে শিরোপা ধরে রাখতে। কেন উইলিয়ামসনের নিউজিল্যান্ড চাইছে দুঃস্বপ্নের অতীত ভুলে শিরোপা উৎসবে মাততে।
আহমেদাবাদে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটায় ম্যাচটি শুরু হবে। স্টেডিয়ামটির দর্শক আসন সংখ্যা ১ লাখ ৩২ হাজার। এটির পুরনো নাম মোতেরা স্টেডিয়াম। দ্বিতীয়বার নাম হয় সর্দার প্যাটেল স্টেডিয়াম। বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামটিতে এর আগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে দুই দলেরই। ইংল্যান্ড দুই ম্যাচ খেলে জিতেছে একটি এবং হেরেছে অন্যটি। নিউজিল্যান্ডের সাফল্য শতভাগ। দুই ম্যাচে দুই জয়। গত আসরের দুই ফাইনালিস্ট এর আগে ১৯৯৬ বিশ্বকাপে এখানে মুখোমুখি হয়েছিল। ব্ল্যাক ক্যাপসরা জিতেছিল ১১ রানে। দুই দল বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ম্যাচ খেলেছে ১০টি। জিতেছে পাঁচটি করে। সর্বশেষ ম্যাচটি টাই হয়েছিল। দুই দল এখন পর্যন্ত ওয়ানডে খেলেছে পরস্পরের বিরুদ্ধে ৯৫টি। হারজিত সমানে সমান- ৪৪টি করে। টাই হয়েছে তিন ম্যাচ, ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল যার একটি। পরিত্যক্ত বাকি চারটি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের দলগত সর্বোচ্চ স্কোর ৯ উইকেটে ৪০৮ এবং বিশ্বকাপে ৩২২। নিউজিল্যান্ডের দলগত সর্বোচ্চ ৫ উইকেটে ৩৯৮ এবং বিশ্বকাপে ২৪১। ইংল্যান্ডের সর্বনিম্ন স্কোর ৮৯ এবং বিশ্বকাপে ১২৩। নিউজিল্যান্ডের সর্বনিম্ন স্কোর ১৩৪ এবং বিশ্বকাপে ১৮৬ রান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights