উত্তম কৃষি চর্চায় উৎপাদন বাড়ছে আনারসের
খায়রুল ইসলাম, গাজীপুর
গাজীপুরের কাপাসিয়া, শ্রীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পতিত ও লালমাটির জমিতে আনারস চাষ দ্রুত বাড়ছে। লাভজনক হওয়ায় জলঢুপি, হানিকুইন, স্থানীয় জাতের আনারস চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন কৃষকরা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গাজীপুর জেলায় ৮৫০ হেক্টর জমিতে আনারসের আবাদ হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আনারস চাষে ‘উত্তম কৃষি চর্চা’ বা ‘গ্যাপ’ অনুসরণ করে আনারস উৎপাদন করতে কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য জাতের পাশাপাশি এমডি-২ নামের নতুন জাতের আনারস চাষ শুরু হয়েছে গাজীপুর জেলায়। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় কৃষকরা অন্য ফসলের চেয়ে আনারস চাষে বেশি ঝুঁকছেন। কাপাসিয়া উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার অলি ভৌমিক বলেন, আনারস ঔষধি ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হওয়ায় এর চাহিদা বাড়ছে। তিনি বলেন, ভিটামিন-সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এ ফল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সর্দি-কাশি ও জন্ডিস প্রতিরোধে কার্যকরী। এ ছাড়া এটি হাড় মজবুত ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। গাজীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, কাপাসিয়ায় উৎপাদিত স্থানীয় জাতের আনারসের খ্যাতি দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। আশা করা যাচ্ছে, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আনারস চাষ দ্রুত সম্প্রসারণ হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
