উপজেলার সদ্যবিদায়ী কর্মকর্তা সিধুর বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্য কেলেঙ্কারি-সহ তদন্ত প্রতিবেদন গায়েবের অভিযোগ উঠেছে
স্টাফ রিপোর্টারঃ
আমিরুল ইসলাম
যশোরের অভয়নগর উপজেলা থেকে সদ্য বিদায়ী অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর সিধু বিশ্বাস এর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও তদন্ত প্রতিবেন গায়েব করার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার অনুসন্ধানে জানা যায় উপজেলার ৭নং শুভরাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার সেলিনা আক্তার লিজার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন ভাতার কার্ড করিয়ে দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে গত ২০২৪ সালের ১৬ মে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, যশোর জেলা প্রশাসক ও অভয়নগর ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগি মিসেস রেহেনা খাতুন।
সেই অভিযোগ হাতে পেয়ে ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় অভয়নগর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাজকুমার পালকে। তিনি দীর্ঘতদন্ত শেষে গত ২০২৪ সালের ১০ডিসেম্বর প্রতিবেনের কপি সিদু বিশ্বাসের কাছে জমা দেন। এর পর আবারো তিন দফায় তদন্ত প্রতিবেদন চেয়ে নেন তিনি । সর্ব শেষ গতকাল ৫মার্চ আবারো তদন্ত প্রতিবেন মোবাইলে চেয়ে পাঠান তিনি। এবার জমা নেন সুব্রত কুমার রায়।
এবিষয়ে তদন্ত কমকর্তা রাজকুমার পাল বলের আমি ইতিপূর্বে চারবার রিপোর্ট দিয়েছি। তারা প্রতিবার বলে ফাইল পাওয়া যাচ্ছে না। আজ বুধবার (৫মার্চ) আবারো রিপোর্ট চেয়ে পাঠালে আমি তা দিয়েছি। কিন্তু এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল হারায় কেমন করে?
ঘটনার সত্যতা শিকার করে সিধু বিশ্বাস মোবাইলে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য না। আমি নিজেও বুঝতে পারছি না কেমন করে ফাইল থেকে কাগজ হারিয়ে যাচ্ছে।
অভিযোগ আছে যে সম্প্রতি ওই কর্মকর্তা এক কৃষকের কাছে ২০হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার ঘটনাই চৌগাছা উপজেলা পরিষদে তাকে বদলি করা হয়।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়দেব চক্র বলেন, এমন ঘটনা আমার জানা নেই। যদি এমন হয়ে থাকে তবে তদন্ত পূর্ব তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
