কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে তিন মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল

হোটেল শৈবালের সমুদ্রসৈকত ও ঝাউবনের বিস্তৃত প্রান্তরে, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে এবং স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পরিচালনায় ১ নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে ‘কক্সবাজার পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬’। গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন আয়োজিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান। ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক মো. গনী উল আজম। তিন মাসব্যাপী অনুষ্ঠেয় কার্নিভালের সব কর্মসূচি সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের অবহিত করেন।

তিনি বলেন কার্নিভালের বিভিন্ন আয়োজনে মাননীয় মন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এবং বৃহত্তর কক্সবাজার অঞ্চলের সম্মানিত সংসদ সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন। তিনি বলেন, আমরা শুধু একটি কার্নিভাল আয়োজন করতে চাই না। আমরা চাই, কক্সবাজারের পর্যটন অভিজ্ঞতায় একটি নতুন মাত্রা যুক্ত হোক। সমুদ্র থাকবে, সূর্যাস্ত থাকবে, ঝাউবন থাকবে-এর সঙ্গে যুক্ত হবে খাবার, সংগীত, খেলাধুলা, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, অ্যাডভেঞ্চার এবং পারিবারিক বিনোদন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। কার্নিভালটি বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ সাদেকুল আরেফিন ব্রিফিং অনুষ্ঠানে একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের একটি রূপরেখা উপস্থাপন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সামীমুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন গন্তব্যকে আরও বৈচিত্রময় ও আকর্ষণীয়ভাবে দেশি ও বিদেশী পর্যটকদের নিকট তুলে ধরতে এই কার্নিভালের আয়োজন। বিশেষ করে বিদেশীদের নিকট কক্সবাজারকে নতুন ও ব্যতিক্রমী উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বিদেশী পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই আন্তর্জাতিকমানের কার্নিভাল আয়োজন। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে এবং স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পরিচালনায় আয়োজিত এই কার্নিভাল কক্সবাজারে পর্যটকদের জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতার দ্বার উন্মোচন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেন তিন মাসব্যাপী এই আয়োজনের ফলে পর্যটকদের সমুদ্র উপভোগের পাশাপাশি দিন ও রাত্রে বিভিন্ন ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় অর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। তিনি বলেন কক্সবাজারকে একটি প্রাণবন্ত, বৈচিত্র্যময়, নিরাপদ, টেকসই এবং আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে নতুনভাবে ব্র্যান্ডিং করতে এই কার্নিভাল আয়োজন।

মিডিয়া ব্রিফিং অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সম্মানিত পরিচালক, মহাব্যবস্থাপকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা/কর্মচারী ও স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশন লি: এর প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights