দিনাজপুরে ডানাকাটা পরীর প্রেমের মায়ায় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও যুবক নিঃস্ব
আব্দুস সালাম দিনাজপুর প্রতিনিধি :
দিনাজপুরে কথিত ডানাকাটা পরী কবিতা আক্তার ওরফে তামান্না নামক এক নারীর মিথ্যে প্রেমের
মায়াজালে আটকা পড়ে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী এবং যুবক নিঃস্ব হয়ে পথে বসেছে। কবিতার পুরো নাম
কবিতা আক্তার তামান্না। সর্বশেষ খোদ এক গণমাধ্যম কর্মী আবু সুফিয়ান এর স্ত্রীর অভিযোগে
এসব তথ্য উঠে এসেছে। গণমাধ্যম কর্মীর স্ত্রি লোক-লজ্জা ভুলে তিনি গণমাধ্যমকে অভিযোগের মাধ্যমে
কথিত ঐ প্রেম সম্রাজ্ঞী কবিতার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থার দাবী জানিয়েছেন। সাংবাদিকের
স্ত্রী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীকেও একই কায়দায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে ঐ ছলনাময়ী কবিতা
আক্তার তামান্না তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করেছে। তিনি প্রমাণ স্বরূপ বেশ
কয়েকটি আপোষনামা গণমাধ্যমকে দিয়েছেন। সেখানে দেখা যায় কবিতা নামক এই নারী তার বেশ
কয়েকটি ফেসবুক আইডি, টিকটক, লাইকিসহ, সামাজিক মাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করে ব্যবসায়ী এবং
যুবক সমাজকে টার্গেট করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপরে ছবি আদান-প্রদান, ভিডিও বার্তা,
কলরেকর্ড করে সেই সমস্ত ব্যক্তিদের ব্লাক মেইল করে বলে যে, তাকে মোটা অঙ্কের টাকা না দিলে তা
সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ছঁড়িয়ে দিবে। জানা গেছে, দিনাজপুর শহরোস্থ মৃত অহিদুর রহমান, ৮নং
উপশহর, মেডিকেল মোড়ে কবিতা খাতুন ওরফে তামান্নারবাসা। গণমাধ্যমে দেখা যায়, উক্ত কবিতা
খাতুন তামান্নার একই পাড়া প্রতিবেশী স্বামী মৃত- শাহ আলমের স্ত্রী লিমার ছেলে মোঃ রিদয়কে ঠিক
একই কায়দায় ফাঁদে ফেলে নিজেকে ৩ মাসের অন্তসত্তা বলে আপোষনামার মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা
নেয় কবিতা। এদিকে আবার দিনাজপুর শহরোস্থ মধ্য বালুবাড়ী এলাকার (গাউসিয়া গ্যারেজ মোড়) মৃত-
জামিল আহম্মেদ ভোলার দুই পুত্র সাহাজেব জামিল আজমেরী ওরফে রঙ্গন এবং মোঃ রোহানের সঙ্গে
ফেসবুকের মাধ্যমে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে নিজেকে অন্তঃসত্তা দাবী করে অবশেষে গত ২৩/০৭/২০২১
খ্রী: তারিখে আপোষের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের দফারফা শেষে ঘটনার ধামাচাপা করে দেয় ।

সুধী মহলের প্রশ্ন এক যুগ ধরে কবিতা আক্তার তামান্নার এ রকম অনৈতিক কর্মকান্ড স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি
ওয়াকিবহাল থাকলেও কেন বার বার তার অভিযোগগুলো থানা গ্রহণ করছে এবং কবিতার বিরুদ্ধে সে রকম
ব্যবস্থাও নিচ্ছে না কেন প্রশাসন? বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ, ব্যবসায়ী-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ
প্রায় কয়েকটি পরিবারের মানুষ কথিত ডানাকাটা পরী কবিতার ব্লাক মেইলের শিকার হয়েছে। বহু
অভিযোগ কবিতার বিরুদ্ধে থাকলেও অনেকেই প্রশাসনিক সহায়তা নিতে ভয় পায়। কবিতার সাথে
রয়েছে কথিত পাতিনেতা, কিছু অসাধু প্রশাসনিক কর্মচারী, কিশোর গ্যাং এবং ছিনতাইকারী দলের
সদস্যগংরা। যার ফলে তার বিরুদ্ধে থানায় সহজে মামলা দায়ের হয় না। সাংবাদিকদের স্ত্রী এ
প্রতিনিধিকে বলেন, কবিতা আক্তার তামান্না কখনও সে সহকারী পুলিশ সুপারের মেয়ে, কখনও সোনালী
ব্যাংক উর্দ্ধসঢ়;ধতন কর্মকর্তার মেয়েসহ বিভিন্ন প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে তার পরিচয় দিয়ে সকলের
সাথে প্রতারণা করছে। ভুক্তভোগী এবং সুধী মহলের দাবী উঠতি বয়সী ছেলেদের ভবিষ্যত ধ্বংস এবং
দিনাজপুরের ভাবমুর্তি রক্ষায় অবিলম্বে এই কথিত ডানাকাটা পরী কবিতা আক্তার ওরফে তামান্নার
বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরাসরি পুলিশ সুপার, আইন প্রয়োগকারী
সংস্থা এবং জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
