নতুন রূপে লালকুঠি

ঢাকার ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার তালিকায় অন্যতম প্রাচীন নির্দশন এই ব্রুক হল, যা পুরান ঢাকায় পরিচিত লালকুঠি নামে। নতুন করে সংস্কারে আবার পেয়েছে হারানো সৌন্দর্য। ঐতিহ্যের ধারক-বাহক ও সংস্কৃতিচর্চার বিশাল কেন্দ্র ছিল লালকুঠি। বুড়িগঙ্গা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছিল। ১৮৭৯ সালের শেষ দিকে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। ১৮৮০ সালে তৎকালীন ভারতীয় উপমহাদেশের গভর্নর জর্জ ব্যরিং নর্থব্রুক এই ভবন উদ্বোধন করেন। তার নাম অনুসারেই এর নাম রাখা হয় ‘নর্থব্রুক হল’। পরে ‘লালকুঠি’ নামে পরিচিতি লাভ করে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আসার পর নিজ ইচ্ছায় নর্থব্রুক হলে (লালকুঠি) ওঠেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশবরেণ্য ব্যক্তিরা। সেদিন জমকালো অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথকে সংবর্ধনা জানানো হয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights