পাওয়ার প্ল্যান্ট বা ব্রিজে হামলা হলে পুরো অঞ্চলের অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইরানের
অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের কোনো বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালায়, তবে পুরো অঞ্চলের সমস্ত অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ বন্ধ করে দুই দেশকে আবার আলোচনার টেবিলে ফেরাতে নিজেদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে পাকিস্তান।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সপ্তাহে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুর মতো বেসামরিক স্থাপনায় হামলা বাড়ানোর হুমকি দিয়েছে। এর পরই ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক সদর দপ্তর খাতাম আল-আনবিয়া এই কড়া বার্তা দিলো।
সংস্থাটির মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেন, ট্রাম্প যদি ইরানের অবকাঠামোতে হামলার হুমকি বাস্তবায়ন করেন, তাহলে ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর আঘাতেই পুরো অঞ্চলের সব অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি বলেন, কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ ইরানের একটি বড় রেড লাইন এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এবার আগের চেয়েও আরও তীব্র, ব্যাপক ও বিধ্বংসী আঘাত হানবে।
এদিকে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিরোধ মেটাতে পাকিস্তান তাদের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে গত মাসে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক (MoU) বাস্তবায়নে নানা চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দোরাবি ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের বলেন, নানা বাধা সত্ত্বেও পাকিস্তান সব পক্ষকে সহিংসতা বন্ধ করা এবং কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য উৎসাহিত করে যাবে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে পাকিস্তান।
