বাংলাদেশ শেখ হাসিনার হাত ধরে আলোকিত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জবি প্রতিনিধি
বাংলাদেশ শেখ হাসিনার হাত ধরে আলোকিত হবে বলে মন্তব্য করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করবেন বলে মনে হয় আল্লাহ তায়ালা শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। তিনি আছেন বলে আজকে আমরা এত দুর্বার গতিতে ছুটে যাচ্ছি।’
আজ শুক্রবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ আল্যামনাইয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সবার জন্য শিক্ষা, বাসস্থান, চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ তৈরির জন্য যুদ্ধ করেছিলেন কিন্তু ১৯৭৫ সালে আমরা তাকে হত্যা করেছি। আমি যখন একবার সিঙ্গাপুর গিয়েছি তখন আমার গাড়ির চালক বলেন আপনি কি বাংলাদেশি? আমি যখন পরিচয় দিলাম তখন তিনি বললেন, তোমরা কিভাবে জাতির পিতাকে হত্যা করলে যিনি তোমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। তখন তার কথা শুনে আমার মাথা হেট হয়ে গেলো।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তবে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার করেছে এজন্য তাকে আমি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি। আমরা যে জয়বাংলা স্লোগানকে সামনে রেখে যুদ্ধ করেছি তিনি এখন সেটাকে জাতীয় স্লোগান করেছেন। আগামী জাতীয় নির্বাচনে জনগণ যাকে ভোট দিবে তারাই ক্ষমতায় আসবে। শুধু আমি বলবো, আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনাকে প্রয়োজন। আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম শুনলে আবেগে আপ্লুত হয়ে যাই। আমার জীবনের সবগুলো প্রাপ্তির স্থান জগন্নাথ কলেজ৷ এখানে ভর্তি না হলে আমি আজকের এ দুর্বার গতিতে ছুটে চলতে পারতাম না।’
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আমার জীবনের যা কিছু অর্জন হয়েছে তার সবকিছুর পিছনে জগন্নাথ কলেজের অবদান রয়েছে। আমি যখন ১৯৬৬ সালে কলেজে পড়াকালীন সময়ে ছয় দফা আন্দোলনে যেতাম বঙ্গবন্ধু নেতৃত্বে তখন কিছুই বুঝতাম না। এ কলেজের বড় ভাইয়েরা আমাকে ছয় দফার গুরুত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন তখন। আমি বারবার এখানে ছুটে আসি স্মৃতিচারণ করতে। কলেজ আমলের পুরোনো ভবনগুলো দেখলে আমার মনে পড়ে পুরোনো দিনের স্মৃতিগুলো। আজকের আমি হওয়ার পিছনে একমাত্র অবদান এ কলেজের কারণ আমার রাজনীতি জীবনের হাতে খড়ি এখানে হয়েছে।’
হিসাববিজ্ঞান বিভাগ অ্যালামনাই এর সভাপতি কামরুল হাসান রিপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, অ্যালামনাইরা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় যেন বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন কারণ হিসাববিজ্ঞান পড়ে বেকার তৈরির কারখানা করে লাভ নেই। আমরা দক্ষ শিক্ষার্থী গড়ে তুলতে চাই।
