বাংলাদেশকে নিয়ে চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র এখনো শেষ হয়নি : সাইফুল নীরব
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশকে নিয়ে চক্রান্ত চলছে, ষড়যন্ত্র চলছে, এখনও চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র শেষ হয়নি মন্তব্য করে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব বলেছেন, ছাত্রজনতার আন্দোলনে আওয়ামী সরকারের পতনের মাধ্যমে ৯৫ ভাগ দেশ স্বাধীন হয়েছে, ৫ ভাগ এখনও বাকী রয়েছে। এই ৫ ভাগের ভিতরে কখন কি ঘটে যায়? এ ব্যাপারে আমাদের সকলকে সজাগ থাকতে হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনস্থ ভাসানী ভবন মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির এক যৌথ সভায় সভাপতির বক্তব্যে সাইফুল আলম নীরব এসব কথা বলেন।
নীরব বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি রাষ্ট্র সবসময় বিএনপির বিরুদ্ধে কাজ করে। যেহেতু সরকার গঠনের কাজ শেষ হয়নি। সরকার কি অবস্থায় হবে তা এখনও পরিষ্কার নয়।
আওয়ামী সরকারের পতনের পর সারা দেশে দখল, লুটপাট ও চাঁদাবাজি হচ্ছে প্রসঙ্গ টেনে নীরব বলেন, এক শ্রেণির লোক দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে এই ধরনের অপকর্ম করছে। জনগণকে সাথে নিয়ে সকল অপকর্ম বন্ধে কাজ করতে হবে।
আওয়ামী সরকারের পতনের পর দেশে লুটপাট, দখল বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির অপকর্মের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আমিনুল হক বলেন, কোনো প্রকার দখল বাণিজ্য, লুটপাট ও চাঁদাবাজিতে নেতা-কর্মীদের ন্যূনতম অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের দল করার কোনো যোগ্যতা থাকবে না। দল থেকে তাদের বহিষ্কার করা হবে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, যারা দখলদারি, চাঁদাবাজ ও লুটপাট করার কাজে অপচেষ্টা করছে, তারা কিন্তু দুষ্কৃতকারী, তারা বিএনপির লোক নয়, হয়তো বা তারা নব্য বিএনপি হয়েছে।
তিনি বলেন, যারা লোকাল প্যানেল থেকে আওয়ামী লীগ করেছে, আপনাদের মতো হয়তো বা কোনো ভাইদের সহযোগিতায় তারা এখন নব্য বিএনপি হয়েছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় সভায় মহানগর গত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, এজিএম শামসুল হক, মোয়াজ্জেম হোসেন মতি, আখতার হোসেন, মোস্তফা জামান, মহানগর সাবেক সদস্য হাজী মো. ইউসুফ, এবিএমএ রাজ্জাক, সোহেল রহমান, কাউন্সিলর আলী আকবর আলী, আলাউদ্দিন সরকার টিপু, তহিরুল ইসলাম তুহিন, হাফিজুর রহমান শুভ্র, মাহাবুব আলম মন্টু, আফতাব উদ্দিন জসিম, জাহাঙ্গীর মোল্লা, শ্রমিক দল মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক শাহ আলম রাজা, সদস্য সচিব কামরুজ্জামান কামরুল, যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক শরীফ উদ্দিন জুয়েল, সদস্য সচিব সাজ্জাদুল মেরাজ, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক মহসীন সিদ্দিকী রনী, ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল হাসান রাজ, তেজগাঁও থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিরাজ উদ্দিন হায়দার আরজু, কাফরুল থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আকরামুল হক, সাব্বির দেওয়ান জনি, মিরপুর থানা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী আব্দুল মতিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী দেলোয়ার হোসেন দুলু, দক্ষিণখান থানা বিএনপির আহ্বায়ক মেতালেব হোসেন রতন, যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান মো. নাজিম উদ্দীন, তুরাগ থানা বিএনপির আহ্বায়ক আমানুল্লাহ ভূঁইয়া, উত্তরখান থানা বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম খান, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম বেপারী, বিমানবন্দর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলু, মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এমএস আহমাদ আলী, ভাটারা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সেলিম মিয়া ও ৪০ নং ওয়ার্ড সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম হাতি, শেরে বাংলা নগর থানা বিএনপির যুগ্ম শাহজালাল সিকদার, খিলক্ষেত থানা বিএনপির আহ্বায়ক এসএম ফজলুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক সিএম আনোয়ার হোসেন, রূপনগর থানা ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শফিকুর রহমান মামুন, আদাবর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাদেক হোসেন স্বাধীন ও ৩০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বিশ্বাস, পল্লবী থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক কামাল হুসাইন খান, যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ আলী গাজী, বাড্ডা থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাদের বাবু, রামপুরা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নিলুফা ইয়াসমিন নীলু সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের প্রমুখ।
