মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দরের কারণে প্রতিবেশী দেশগুলোও লাভবান হবে : নৌ প্রতিমন্ত্রী

মাতারবাড়ী (কক্মবাজার) থেকে

নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর দেশের অর্থনীতিকে শুধু শক্তিশালী করবে তা নয়, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সু-সম্পর্ক রেখে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও কাজ করবে। প্রতিবেশি দেশগুলোও লাভবান হবে। প্রধানমন্ত্রী যে বন্ধুত্বের সম্পর্কের কথা সব সময় বলেন সেটির সিম্বল হিসেবে পরিণত হবে মাতারবাড়ী। আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোও এর সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।

আজ বৃহস্পতিবার মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আগামী ১১ নভেম্বর মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন উল্লেখ করে নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকরাই বলেছিলেন- এটি হতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার সিঙ্গাপুর। সেটির ভিত্তি স্থাপন হতে যাচ্ছে শনিবার। মাতারবাড়ী থেকে দেশের অর্থনীতিতে ২ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার যুক্ত হবে। সিঙ্গাপুর-কলম্বো থেকে যে লাইটারিং করা হচ্ছে তা কমে যাবে। খরচ কমে যাবে। চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দরে চাঞ্চল্য বাড়বে।
নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়ীকে বাংলাদেশের সঙ্গে পরিচয় করে দিয়েছেন। এখন পৃথিবীর অনেক দেশ জানে যে বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রবন্দর হচ্ছে মাতারবাড়ী। সেই মাতারবাড়ী চ্যানেল হয়ে গেছে, সেটি প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি প্রথম টার্মিনালের ভিত্তি স্থাপন করবেন। মাতারবাড়ী এখন দৃশ্যমান।

বাংলাদেশকে গভীর সমুদ্রবন্দর উপহার দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে খালিদ মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেশ পরিচালনার কারণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দুইভাবেই শ্রদ্ধার জায়গায় বাংলাদেশ আছে। মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর এখন সব টানাপোড়েনের ঊর্ধ্বে গিয়ে আঞ্চলিক ব্যবসা-বাণিজ্য অর্থনীতির একটা হাবে পরিণত হয়েছে।

সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ী পোর্ট ও রোড দুটোর কাজই সমানভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। টার্মিনাল ও রোড একই সময়ে দৃশ্যমান দেখবেন। কক্সবাজারে রেল যাবে কেউ ভাবেনি। এটা প্রধানমন্ত্রী ভেবেছেন। মাতারবাড়ীতেও রেললাইন যুক্ত হবে। মাল্টি মডার্ন কানেকটিভিটি করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী বাস্তবে দেখিয়ে দিয়েছেন।

অর্থায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি অত্যন্ত শক্তিশালী। কোভিড, ইউক্রেন যুদ্ধ কোনো কিছুই আমাদের পরাস্ত করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো রাষ্ট্রনায়ক যে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন সে দেশের মানুষ, সে দেশ কখনো সংকটে পড়বে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights